সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন মেয়র লোকমানের আত্মস্বীকৃত খুনি এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে সক্রিয় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজেই প্রধান অতিথী, সভাপতিত্ব করবেন কে?
অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মসমর্পণ

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মসমর্পণ

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মসমর্পণ
অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মসমর্পণ

সাভারের আশুলিয়ায় দাম্পত্য কলহের জেরে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন পাষণ্ড স্বামী। গত রবিবার রাত ৩টার দিকে আশুলিয়ার নরসিংপুরের ইটখোলা এলাকায় এরকম বিভৎস ঘটনা ঘটে।

নিহত শামসুন্নাহার (২৩) জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার চরভদ্রাসন গ্রামের আব্দুস সালামের মেয়ে। তাঁর স্বামী জলিল হোসেন (৩০) একই উপজেলার বাঘাডোবা গ্রামের শাহজাহান হোসেনের ছেলে।

নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে আশুলিয়া থানার এসআই মিরাজ হোসেন জানান, বছর তিনেক আগে শামসুন্নাহারের সঙ্গে জলিল হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাঁদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগে থাকত। এ ছাড়া যৌতুকের জন্য শামসুন্নাহারকে নির্যাতন করতেন জলিল।

নিহতের চাচা মোহাম্মদ লুত্ফর জানান, শামসুন্নাহার ও তাঁর স্বামী আশুলিয়ায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। চার দিন আগেও দুজনের ঝগড়া হয়। রবিবার রাতে জলিল শ্বশুরবাড়িতে ফোন করে জানান, শামসুন্নাহার মারা গেছেন।

পরে তিনি আশুলিয়া থানায় আত্মসমর্পণ করে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেন। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই নিহতের লাশ উদ্ধার করে। গতকাল সোমবার এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের পর জলিলকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আমাদের প্রতিবেদক জানান তাদের পারিবারিক ভাবেই বিয়ে হয়েছিল, বিয়ে হওয়ার পর থেকেই তাদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। বাবা মার মতের ভিত্তিতে বিয়ে হলেও আসলে স্বামি স্ত্রী দুজনের মধ্যে বনিবনা হয় নাই ঠিকমতো। তারা একে অপরের জীবন ক্রমশ দুর্বিসহ করে তোলে। এক পর্যায়ে পরিবারের মতামতের ভিত্তিতে তারা সিদ্ধান্ত নেয় সন্তান নেয়ার। মুরুব্বিরা এরকমটাই বলেন বাবু হলে তখন আর সমস্যা থাকবে না।তাই যেন কোন দাম্পত্য কলহ থাকলে তারা দ্রুত সন্তান নেন।

শামসুন্নাহারের পরিবারেও তার বেত্যয় হয়নি। ঠিকঠাক বাবু গর্ভেও চলে আসে কিন্তু তার আর পৃথিবীর আলো দেখা হলো না। নির্মম মানষিকতার বলি হতে হলো তিন মাস বয়সী ভ্রুণটির। বাবার হাতে মৃত্যু হলো এখনো শারীরিক অবয়বে না আসা মানুষটির। মায়ের গর্ভেই মায়ের সাথে কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত হতে হলো।

জলিল হোসেন আত্মসমর্পন করায় এলাকাবাসীর মনে স্বস্তির নি:শ্বাস বইছে। তারা দ্রুত বিচারের দাবী জানান।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840