সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন মেয়র লোকমানের আত্মস্বীকৃত খুনি এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে সক্রিয় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজেই প্রধান অতিথী, সভাপতিত্ব করবেন কে?
আজ প্রধানমন্ত্রীর ৭৩ তম জন্মদিন

আজ প্রধানমন্ত্রীর ৭৩ তম জন্মদিন

শেখ হাসিনা
শেখ হাসিনা

মানবতার মা খ্যাত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আজ তিয়াত্তর ত জন্মদিন। তার জীবনের এই বিশেষ দিনে শুভেচ্ছা বার্তায় সিক্ত করেছেন দেশ-বিদেশের কোটি মানুষ। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কগণ শুভেচ্ছা জানাতে ভুল করেননি।

বাঙ্গালি জাতির জনক কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শুধু নন তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী । তিনি বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদের সরকারদলীয় প্রধান এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের উত্তরসূরী। তার রাজনৈতিক কর্মজীবন প্রায় চার দশকেরও বেশি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একের পর এক সাফল্যের পালক তার মুকুটে নিত্যদিন যোগ করেই চলেছেন। তার সময়েই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবার বর্গের হত্যার বিচার, স্যাটেলাইট জগতে বাংলাদেশের অবস্থান নিশ্চিত করন সহ পদ্মা সেতুর মতো মেঘা প্রজেক্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করছে। ভারতের থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা বিজয় সম্ভব হয়েছে। ছিটমহল বিনিময় কাজ সু-সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি জলবায়ু বিপর্যয়ে অবদান রেখে চ্যাম্পিয়ন অফ দি আর্থ পুরুস্কারে ভূষিত হয়েছেন। তাকে এই স্বীকৃতি দেন জাতিসংঘের ইউনেস্কোর জলবায়ু বিষয়ক অনুষ্ঠানে।

তিনি মাদার অফ দি হিউম্যানিটি। তিনি প্রায় বার লাখ অসহায় রোহিঙ্গাকে বিনাশর্তে এই দেশে আশ্রয় দিয়েছেন। তার হাত দিয়েই বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতার মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সরকার হাতে নিয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বর্তমান বিশ্বের দ্বিতীয় ক্ষমতাধর মহিলা। ফোর্বস ম্যাগাজিনের জরীপে সম্প্রতী এই তথ্যই উঠে এসেছে।

তিনি ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ সালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৈত্রিক বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার স্বামী এম এ ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন একজন বিজ্ঞানী ও গুণি ব্যক্তি। তিনি তার ব্যক্তিজীবনে কখনো রাজনীতির সাথে নিজেকে জড়ান নি।

পিপল অফ ডেমোক্রেসির মত বিখ্যাত বই এর লেখক শেখ হাসিনা। তার হাত ধরেই বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীর মত বাংলাদেশের জীবন্ত ইতিহাসের একটি বই মুদ্রিত হয়েছে।

তিনি ইডেন কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা গ্রহণ করেন। বিশ্বের ২০-২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টর অফ ল ডিগ্রি প্রধান করেন। বাংলাদেশের আর কোন ব্যক্তির এত পরিমাণ ডক্টরেট ডিগ্রি নেই।

সজীব ওয়াজেদ, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল তার দুই সন্তান। সজীব ওয়াজেদ জয় তারে রাজনৈতিক সহকর্মী,প্রযুক্তি উপদেষ্টা। সায়মা ওয়াজেদ পুতুল সারা বিশ্বে অটিজমদের নিয়ে কাজ করেন। জাতিসংঘের অটিজম বিষয়ক দপ্তরের তিনি একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু ও পরিবারের সকল সদস্য নিহত হবার আগে ছোট বোন শেখ রেহানাসহ শেখ হাসিনা ইউরোপ গিয়েছিলেন। তাৎক্ষণিকভাবে দেশে ফেরার কোনো পরিবেশ না থাকায় তিনি ইউরোপ ছেড়ে স্বামী-সন্তানসহ ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে দীর্ঘদিন থাকেন।

১৯৮১ সালের ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ১৭ মে, ১৯৮১ সালে দীর্ঘ ৬ বছর প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে মাতৃভূমি বাংলাদেশে তিনি ফিরে আসেন।

১৯৮৬ সালের সংসদ নির্বাচনে প্রথম বারের মত তিনি প্রতিদ্বন্ধি হোন।তিনটি আসন থেকে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেন। ১৯৯০ সালের ঐতিহাসিক গণআন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনের পরে তিনি পঞ্চম জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা নির্বাচিত হন।

১৯৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে সরকার গঠন করে এবং সে বছরের ২৩ জুন প্রথমবারের মত তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর এটাই আওয়ামীলীগের দেশ পরিচালনায় প্রথমবারের মত ক্ষমতাসীন হওয়া।

২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হলে তিনি সপ্তম জাতীয় সংসদে বিরোধীদলের নেতা নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড নিক্ষেপ করে তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও ওই হামলায় ২৪ জন নিহত এবং আওয়ামীলীগের পাঁচশত নেতা-কর্মী আহত হন।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন নিয়ে বিশাল বিজয় অর্জন করে, যা ইতিহাসে অত্যন্ত গৌরবের।

এই বিজয়ের মধ্যদিয়ে শেখ হাসিনা দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে দেশকে নেতৃত্ব দেবার সুযোগ পান।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারিতে তৃতীয়বার এবং ২০১৮ সালের ৩১ শে ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে চতুর্থবারের মত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করে সফলতার সাথে পালন করছেন।

টিকা দান কর্মসূচিতে বাংলাদেশের অসামান্য সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরুপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মর্যদাপূর্ণ ‘ভ্যাকসিন হিরো ’ পুরস্কারে ভূষিত করেছে জাতিসংঘ। সুইজারল্যন্ড ভিত্তিক বিশ্বব্যাপী টিকা দান সংস্থা গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন এবং ইমিউনাইজেশন ( জি এভি আই ) ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কার প্রদান করে । শেখ হাসিনা চলতি মাসে ড. কালাম স্মৃতি ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স এ্যাওয়ার্ড পদক প্রাপ্ত হোন।

মানবতার মা মাননীয় প্রদানমন্ত্রী বেঁচে থাকুক হাজার বছর।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840