সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন মেয়র লোকমানের আত্মস্বীকৃত খুনি এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে সক্রিয় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজেই প্রধান অতিথী, সভাপতিত্ব করবেন কে?
আবার-ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নামে ভিপি নূরের উপর হামলা করলো সনজীতরা

আবার-ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নামে ভিপি নূরের উপর হামলা করলো সনজীতরা

আবার-ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নামে ভিপি নূরের উপর হামলা করলো সনজীতরা
আবার-ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নামে ভিপি নূরের উপর হামলা করলো সনজীতরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হকের ওপর আবারও হামলা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের নেতা–কর্মীরা। এই নিয়ে কতবার সে হামলার শিকার হলো তা বলতে পারবে না নুরুল হক নুরু নিজেও।

আজ রোববার দুপুরে ডাকসু ভবনের নিজ কক্ষে নুরুল ওপর এই হামলা হয়। এ সময় নুরুলের সঙ্গে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও কয়েকটি কলেজের কয়েকজন ছাত্র গুরুতর আহত হয়েছেন।

ঘটনার প্রায় ৪৫ মিনিট পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী নুরুলসহ আহত ছাত্রদের ডাকসু ভবন থেকে উদ্ধার করে সবাইকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঢাকসুতে মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চের পরিচয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বেড়েই চলেছে।

নুরুল হক ছাড়া আহত অন্যরা হলেন কবি নজরুল কলেজের ছাত্র রুকন মিয়া হোসেন রাজ, গোলাম কিবরিয়া, জাহিদুল ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আরিফুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মশিউর রহমান। এছাড়া আমিনুর নামে আরও একজন আহত হয়েছেন, যিনি নিজেকে নুরুলের ছোট ভাই বলে দাবি করেছেন। আহত সবাইকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আজ দুপুর ১২টায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি ছিল। সংগঠনটি মিছিল করে ডাকসু ভবনের দিকে আসে। এ সময় ভিপি নুরুল ২০/২৫ জনকে নিয়ে ডাকসু ভবনে প্রবেশ করছিলেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হয়। তারপর নুরুল তার সমর্থকদের নিয়ে ডাকসু ভবনে নিজের কক্ষে চলে যান।

এর মধ্যেই ডাকসু ভবনের সামনে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজীত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন এবং তাঁদের অনুসারীরা। দুটি সংগঠনের কর্মীরা তখন ডাকসু ভবনের দিকে ইটের টুকরা নিক্ষেপ করতে থাকেন। এ সময় নুরুলের নির্দেশে ডাকসু ভবনের কর্মীরা ভবনের মূল গেটে তালা লাগিয়ে দেন।

সাদ্দাম হোসেন একপর্যায়ে বাইরে থাকা নিজ সংগঠনের ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কর্মীদের সেখান থেকে সরে যেতে বলেন। কোনো ধরনের হামলা মারামারি করতে নিষেধ করেন। তখন পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসেন। সাদ্দাম হোসেনের এমন ভূমিকায় সবাই সন্তুষ্ট হোন।

ছাত্রলীগের সাদ্দাম হোসেন নিজেও ডাকসুর এজিএস। তিনি গেটের সামনে এলে ডাকসুর কর্মীরা গেট খুলে দেন। তখন সাদ্দাম, সনজীতের এবং মঞ্চের কর্মীরা ভেতরে প্রবেশ করেন। তাঁরা সরাসরি নুরুলের কক্ষে ঢোকেন। নুরুল হক নুরুর উপর হামলা করতেই তারা সেখানে যান।

নুরুল কেন বহিরাগত নিয়ে ডাকসুতে এসেছেন তা জানতে উত্তপ্ত বাক্যে প্রশ্ন করেন সাদ্দাম হো্সাইন। তখন নুরুল শান্ত ভঙ্গিতে বলেন, তিনি সব সময় হামলার আশঙ্কার মধ্যে থাকেন। এ কারণে নিজের নিরাপত্তার জন্য অনেককে সঙ্গে রাখেন। তার সাথে যারা আছেন সবাই নিজের লোক।

একপর্যায়ে নুরুল সনজীতকে বলেন, ‘আপনি তো ডাকসুর কেউ না। আপনি কেন এখানে এসেছেন।’

সনজীত তখন বলেন, ‘আমি কে, তা কিছুক্ষণ পরেই বুঝবি।’

কথোপকথনের মধ্যেই নুরুলের সঙ্গে থাকা কয়েকজনকে মারধর করেন ছাত্রলীগের দুই নেতার সঙ্গে আসা ব্যক্তিরা। সনজীতের নির্দেশেই এমনটা করে বলে জানা যায়। সাদ্দাম-ও তাদের বাঁধা দেননি।

এর কিছুক্ষণ পর সাদ্দাম ও সনজিত সেখান থেকে চলে যায়। কয়েক মিনিট পর নুরুল ও অন্যদের ওপর হামলা শুরু করেন সনজিতের ক্যাডার বাহিনী। একপর্যায়ে নুরুল ও তাঁর সঙ্গীরা ভেতর থেকে দরজার ছিটকিনি বন্ধ করে আত্মরক্ষার জন্য সেখানেই অবস্থান করেন। তারা মারাত্মক রকমের আহত অবস্থায় নিজেদেরকে রূমের ভেতর আটকিয়ে রাখেন।

পরে প্রক্টর, সহকারী প্রক্টর এসে তাঁদের উদ্ধার করে সেখান থেকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বললে নাম প্রকাশ না করার শর্তে দলমত নির্বিশেষে সবাই বলেন সনজীতরা নূরকে বারবার আক্রমণ করেন এর মূল কারন ভারতের বিরুদ্ধে বা মোদি সরকারের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে নুরুল হক নুরুর শক্ত অবস্থান। মূলত ভারতীয় এজেন্টরাই ছাত্রলীগ বা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নাম ভাঙ্গিয়ে এই প্রতিবাদি কণ্ঠস্বর রুখে দিতে চাচ্ছেন। মূলত ওরা ছাত্রলীগ নয় ওরা ভারতীয় দালাল, ভারতীয় এজেন্ট।

ফেসবুকে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। তীব্র নিন্দা করা হচ্ছে ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের। আসলে মুক্তিযুদ্ধের নাম ভাঙ্গিয়ে রাজাকার বা আলবদরের কোন উত্তরসূরী দেশের দামাল ছেলেদের উপর বারবার আক্রমণ করছে না তো প্রশ্ন আপামর জনগনের।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840