সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন মেয়র লোকমানের আত্মস্বীকৃত খুনি এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে সক্রিয় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজেই প্রধান অতিথী, সভাপতিত্ব করবেন কে?
আবেগতাড়িত কন্ঠে বিসিবি প্রধানের বক্তব্য সারাবিশ্বে তোলপার

আবেগতাড়িত কন্ঠে বিসিবি প্রধানের বক্তব্য সারাবিশ্বে তোলপার

পাপনের বক্তব্য
পাপনের বক্তব্য

বাংলাদেশ ক্রিকেট এর সাথে জড়িত শীর্ষস্থানীয় খেলোয়াররা একযোগে এগারো দাবী জানিয়ে সব ধরণের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণায় অত্যন্ত আবেগপ্রবন ভাবে সংবাদ সম্মেলন করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি পাপন।

প্রতিটি দাবি সম্পর্কে পাপন আলাদা আলাদা ভাবে সাংবাদিকদের কাছে আবেগ তাড়িত কন্ঠে ব্যাখ্যা দেন। তিনি অবাক হোন ক্রিকেটারদের আচরণে। তিনি বলেন তারা দাবী করতেই পারে। আগে বিসিবিকে জানাবে। বিসিবি ব্যবস্থা না নিলে সংবাদ সম্মেলনে যেতে পারে কিন্তু তারা দাবী না জানিয়েই খেলা বন্ধ করার কথা কীভাবে বলতে পারেন!

পাপনের বক্তব্য তুলে ধরা হল।
১) এগুলা কোনো দাবিই হতে পারে নাঃ পাপন বলেছেন, শ্রীলঙ্কা সফর থেকে আসার পরেই সাকিব-তামিম আমাকে বলেছে, ভাই বেতন বাড়ায় দেন। আমি বললাম, তোমাদের বেতন এখন কত? ওরা বললো ২ লাখ ৫০ হাজার। কত বাড়াতে হবে? একজন বললো একটু ভাল করে বাড়িয়ে দেন। আরেকজন বলল ৫০ হাজার। আমি পরে বললাম ঠিক আছে চার লাখ করে দিলাম। কী পরিমান সুযোগ-সুবিধা ওদের দিচ্ছি, ২৪ কোটি টাকা শুধু ওদের বোনাস দিয়েছি। তারপরো এমন কথা? আসলে উদ্দেশ্য কী?

২) খেলা বন্ধের পরিকল্পনাকারীদের চিনিঃ আমার বিশ্বাস এইসব পরিকল্পিত। খেলা বন্ধ করা পরিকল্পিত। কারা কারা এই পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত তাদের আমি চিনি। বাকীদের আইডেন্টিফাই করা হবে। এখন যে তাদের ফিটনেস নিয়ে জোর দিছি, এইটা কি তারা ঠিকভাবে নিছে?

তারা এসব কারণেই তো এমন করছে। তাদের এত টাকা দেওয়া হয়, এত বেতন দেওয়া হয়; তারপরেও যদি কিছু লাগে আমাকে বলত। তারা আমাকে বলে যদি সমাধান না পেতো তবে আপনাদের (সংবাদিকদের) বলতে পারতো। আগেই সংবাদ সম্মেলন কেন? সারাবিশ্বের কাছে আমাকে ছোট করা? বিসিবিকে প্রশ্ন বিদ্য করা? দেশের জন্য এটা কেমন বারতা? আসলে কি চায় তারা? তারা কি তাদের দাবী বাস্তবায়ন চায় নাকি অন্যকিছু? তারাতো এমন করতে পারে না।

৩) ক্রিকেটাররা খেললে খেলবে, না খেললে নাই।
সব সেশন মতই হবে। সময় মতই হবে। তারা যদি খেলতে চায় খেলবে। না খেলতে চাইলে খেলবে না। যারা খেলতে আগ্রহী তাদের নিয়েই সামনের খেলাগুলো হবে।

৪) ম্যাচ পাতানোর গোমড় ফাঁস করা হবেঃ আফগানিস্তানের সাথে টেস্টে বড় হারের পেছনে ফিক্সিং লুকিয়ে আছে কিনা তা যাচাই করা হবে। এদের সাথে এত বড় পরাজয় মেনে নেয়া যায় না। এর পেছনে ফিক্সিং এর গন্ধ পাচ্ছি। আমরা যা ভাবছি ওরা দেশের জন্য খেলে তা তো নয়। ওরা যেহেতু অন্যায্যভাবে খেলা বন্ধ ঘোষনা করতে পারে সুতরাং ওরা ম্যাচটা হারার জন্যও খেলতে পারে।

৫) ইন্ডিয়া ট্যুর বাতিল করার পাঁয়তারা। আসন্ন ইন্ডিয়া সফরকে সামনে রেখে হঠাৎই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেটাররা। ধরা হচ্ছে আসন্ন ইন্ডিয়া ট্যুর বাতিল করার জন্যই এই ষড়যন্ত্র এঁকেছে একদল ষড়যন্ত্রকারী। ইন্ডিয়া ট্যুরে উভয়দেশের প্রধানমন্ত্রী অথিথী হতে পারেন। দেখতে হবে কারা এসবের পেছনে জড়িত আছেন। কারা চাচ্ছেন ট্যুরটা যেন বাতিল হয়। ক্রিকেটে যেখানে আমরা সবাই একমত ছিলাম। সেখানে ভারতের সাথে বন্ধুত্ব নষ্ট করার জন্য পাঁয়তারা কষছে কারা?

সর্বোপরী বিসিবি প্রধানের বক্তব্য ছিল সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছেও তো খেলোয়াররা সরাসরি যেতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী ওদের বাচ্চাদের সাথে খেলা করেন। ওরা আসলে কি চায়?

দুইশত জন নিচের সাড়ির খেলোয়ারকে মাসিক বেতন দেয়া হচ্ছে। যা বিশ্বের অন্য কোন দেশে নেই। ওরা তারপর-ও বলছে লাইনে আপে থাকা খেলোয়ারদের বেতন বাড়াতে হবে। সংখ্যা বাড়াতে হবে। সেটা কত? যারা ক্রিকেট খেলতেই পারে না, তাদেরকে বেতন দিতে হবে?

গ্রাউন্ডসম্যান, আম্পায়ার সবার বেতনই বাড়িয়েছি। আমার মেয়াদে দুই বার বাড়িয়েছি। তাহলে কিসের দাবী? যা চাওয়ার আগেই দিয়েছি তারপর এই রকম বিব্রত অবস্থা কেন?
বিসিবির সাথে আলোচনা না করেই এমনভাবে রিপ্রেজেন্ট কেন?

সাকিবরা বলেছে কোয়াব ((ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) তাদের দাবিগুলো উপস্থাপন করছে না। কিন্তু কোয়াবের সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল পাল্টা অভিযোগ করেতুলে বলেন, আজ সাকিব তামিমরা যেসব দাবিগুলো উপস্থাপন করে ধর্মঘট ডেকেছে। তা কোয়াব আরও দুই বছর আগেই উপস্থাপন করেছিল কিন্তু তখন সিনিয়র খেলোয়াড়রা কোয়াবের কথার গুরুত্ব দেয়নি। তখন তারা শুধু নিজেদের কথাই ভেবেছিল। তারা নিজেদের স্বার্থ নিয়েই পরে ছিল।

দলের ক্যাপ্টেন (ওডিআই) এবং বাংলাদেশে জাতীয় সংসদের সদস্য মাশরাফি বিন মুরতজা বলেছেন “ তিনি এই ধর্মঘট সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। তাকে কেউই জানায়নি।” এখানে প্রশ্নবিদ্ধ মাশরাফির সাথে দলের অন্যান্য খেলোয়ারদের সম্পর্ক।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840