সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন মেয়র লোকমানের আত্মস্বীকৃত খুনি এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে সক্রিয় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজেই প্রধান অতিথী, সভাপতিত্ব করবেন কে?
আমাদের একজন ফয়জুল করিম আছে

আমাদের একজন ফয়জুল করিম আছে

ফয়জুল করিম
ফয়জুল করিম

মুফতি ফয়জুল করিম যেন এ যুগের তারিক বিন যিয়াদ। এই যেমন কালজয়ী বক্তা বখতিয়া খিলজি। যেন উমরের প্রতিচ্ছবি। একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক ও মানবতাবাদী নেতার নাম মুফতি ফয়জুল করিম। দল মত নির্বিশেষে সবার নিকট জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন তিনি। কথায় অকাট্য যুক্তি, স্পষ্টবাদীতা ও সত্য উচ্চারণে অকুতোভয় এক বিপ্লবী মানুষ তিনি। ইসলাম, দেশ, মানবতা ও স্বাধীনতার জন্য যিনি প্রাণ বিসর্জন দিতেও প্রস্তুত।

ইতিহাসে পড়েছি বখতিয়া খিলজির বক্তব্য ছিল কালজয়ী। তাঁর বক্তব্যে যেন শুকনো নদীতে জোয়ার হত। বাংলাদেশের আরেক কালজয়ী বক্তা ছিলেন এদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ভাষণই ছিল মুক্তিযুদ্ধে জয়ের পূর্ব শর্ত। এই ভাষণে অনুপ্রাণিত হয়ে সেদিন বাঙালিরা স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। তাঁর ভাষণে নিস্তেজ প্রাণ জেগে উঠতো বিপ্লবী চেতনায়। বঙ্গবন্ধু পরবর্তী আমরা আরেকজন কালজয়ী বক্তা ও বিপ্লবী নেতা পেয়েছি তিনি হলেন মুফতি ফয়জুল করিম।

মুফতি ফয়জুল করিম ইসলামের জন্য যেভাবে জীবন দিতে প্রস্তুত ঠিক তেমনি দেশের স্বাধীনতা সার্বভোমত্ব রক্ষায়ও জীবন দিতে প্রস্তুত। বাংলাদেশের ইতিহাসে যে কয়জন আলেম দেশপ্রেমিক ও ইসলাম প্রেমিক ছিলেন তার মধ্যে মুফতি ফয়জুল করিম অন্যতম। তার প্রতিটি কথায় যেন অগ্নিঝরে। প্রতিটি শব্দ যেন এক একটি বুলেট।

বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যার পর যিনি সবচেয়ে বেশি প্রতিবাদ করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম।গত ২০ অক্টোবর ২০১৯ ভোলার বোরহানদ্দীনে তৌহিদী জনতার উপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে গতকাল ২১ অক্টোবর ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেইটে অনুষ্টিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম। বক্তব্য তিনি ভোলার হামলার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন। তিনি বলেন, ভোলার ঘটনার পর পরই প্রধানমন্ত্রী কিভাবে বলতে পারলেন আইডি হ্যাক করে মুসলমানরা হিন্দুকে ফাঁসাতে চাইছে।তদন্তের পূর্বে কিভাবে প্রধানমন্ত্রী কিভাবে ফেইক আইডি তা বুঝতে পারলেন?

মুফতি ফয়জুল করিম বলেন, এর আগেও সঠিক আইডি থেকে নবী ও আল্লাহর বিরুদ্ধে কটুক্তি করেছিল কৈ আপনি তাদের তো কোন শাস্তি দেননি। আপনি ইচ্ছা করেই ইসকনের পক্ষাবলম্বন করছেন। আমরা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা চাইনা। কখনো যদি সাম্প্রাদায়িক দাঙ্গা হয়ে থাকে তাহলে বুঝে নেব নেপথ্যে আপনার ভুমিকা ছিল।

ভোলায় পুলিশ যেভাবে তৌহিদী জনতার উপর গুলি করেছে তা মানুষ হয়ে একটা কুকুরকেও গুলি করতে পারেনা। পুলিশ যদি তাদের ছত্রভঙ্গ বা আত্মরক্ষার জন্য গুলি করে তাহলে সব গুলো পিঠে, চোখে মুখে কেন?

আত্মরক্ষার জন্য গুলি করলে তা হাঁটুর নিচে হওয়া উচিত যদিও তা বৈধ না। কিন্তু আত্ম রক্ষার জন্য নিরস্ত্র মানুষের উপর কেন নির্বিচারে গুলো চালানো হল। মুফতি ফয়জুল করিম এই হামলার সুষ্টু তদন্তের দাবি করেন।

শহিদের পরিবার কে ক্ষতিপূরণ ও আহতদের সুশিক্ষার ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। যারা নবী ও রাসূলদের বিরুদ্ধে কটুক্তি করবে তাদের জন্য সংসদে ফাঁসির আইন পাস করাার দাবি জানান। দেশের যে কোন প্রান্তে যে কোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম রাজপথে নেমে পড়েন মুফতি ফয়জুল করিম।

মুফতি ফয়জুল করিম অগ্নিঝরা ভাষণে কেঁপে উঠে নাস্তিক মুরতাদদের কলিজা।সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনিই সবার আগে গর্জে উঠেন।বাতিলের রক্ত চক্ষুকে তিনি ভয় করেনা।

তিনি প্রায় সময় বলেন থাকেন, বাঁচলে সিংহের মত একদিন বাঁচব শিয়ালের মত হাজার বছর বেঁচে থাকার আশা তাঁর নেই। ক্ষমতা আর অর্থবিত্তের মোহহীন মুফতি ফয়জুল করিম এদেশের সম্পদ,জাতির সম্পদ। আমাদের কিছুই না থাক কিন্তু আমাদের একজন মুফতি ফয়জুল করিম আছে।

লেখকঃ নুর আহমদ সিদ্দিকী

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840