সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন মেয়র লোকমানের আত্মস্বীকৃত খুনি এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে সক্রিয় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজেই প্রধান অতিথী, সভাপতিত্ব করবেন কে?
কবি মেহেরুন্নেছা চৌধুরীর তিনটি সেরা কবিতা

কবি মেহেরুন্নেছা চৌধুরীর তিনটি সেরা কবিতা

মেহেরুন্নেছা চৌধুরীর কবিতা
মেহেরুন্নেছা চৌধুরীর কবিতা

মুজিব ও মুক্তি যোদ্ধ
মেহেরুন্নেছা চৌধুরী
——————————

ছায়া সুনিবিড় শান্তির নীড় বাংলাদেশের আঁচল,
যখন জড়ায় গায়ে, আহ! একি অপরূপ পরশে ছলছল।
ভাব, ভেবে দেখ, ভাবায় একাগ্রচিত্তে,
যত জঞ্জাল, যত নিপীড়ন একবিন্দু ও নয় মিথ্যে।
পাহাড়-গিরিপথ, বন-অরণ্য, চঞ্চল চলা নদী,
এমনি নিবাস কেড়ে নিতে চায়, কোন ভিনদেশি অপশক্তি যদি।
আছো কেউ? রক্ত দাও, শক্তি দাও, প্রেরণা দাও,
দাও, দাও, দাও যদি হও দেশপ্রেমিক
তবে, তবে নিজের জীবনটা দাও।
কার এতো সাহস! ডাকে যুদ্ধের ময়দানে,
অন্যায়, জুলুম, অত্যাচারের প্রতিবাদী দামামা বাজিয়ে,
শুধু, শুধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ছাড়া!
তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট, তিনি বিদগ্ধ, তিনি সংবেদ্য, তিনি উদ্যম,
তিনি জ্বলন্ত সূর্যের তীর্যক আলো, মায়াবী পূর্ণিমা।
সিংহ পুরুষ তিনি, সিংহ পুরুষ এই বাংলার অঙ্গনে,
তাঁর গর্জনের মায়ায় সেদিন কেঁদেছিল আকাশ বাতাস,
স্বাধীনতার ডাকে, মুক্তির ডাকে, বিদ্রোহের ডাকে,
পুলকে দুোলোকে হাতে হাত রেখেছে করেনি কোন অবকাশ।
বায়ান্ন, ছেষট্টি, ঊনসত্তর, একাত্তরে দেশপ্রেমে ভক্ত,
ঝরালো বুকের অঝর ধারায় তরতাজা টকটকে লাল রক্ত।
বহিল রক্তের স্রোত এই বাংলার বুক চিরে বারবার,
তাই তো চিন্তা চেতনা মননে প্রতিফলিত দূরদর্শিতা।
এতো উত্থান-পতন পেরিয়ে সেদিন চেয়েছিল মুক্তি স্বাধীনতা,
পেয়েছে মুক্তি, পেয়েছে স্বাধীনতা বিনাশে লক্ষ জনতা।
ইতিহাস আজ কথা বলে, কথা বলে দেহের এক একটি রক্ত ফোঁটা,
শেখ মুজিবের বজ্রকন্ঠ হৃদে হৃদে ছড়ায় সহস্র আলোক ছটা।

এটাই তো ডিসেম্বর
মেহেরুন্নেছা চৌধুরী
————————————–
এটাই তো ডিসেম্বর-
ত্রিশ লক্ষ নিরীহ বাঙ্গালীর
রক্তে রক্তে ইতিহাস লেখার দিন,
এটাই তো ডিসেম্বর-
হাজারো মা বোনের সম্ভ্রম হারিয়ে
আত্ন বিলাপের দিন।
এটাই তো ডিসেম্বর-
কেঁদো নাকো মা, আছি তো আমরা
শান্ত্বনা দেয়ার দিন,
এটা তো ডিসেম্বর-
তিলে তিলে মেরে, জ্বালিয়ে পুড়িয়ে
বুদ্ধিজীবী হত্যার দিন।
এটাই তো ডিসেম্বর-
দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে
অর্জিত গৌরবময় বিজয়ের দিন,
এটাই তো ডিসেম্বর-
পাকিস্তানী নরপশু হানাদারের
মাথা নিচু করে আত্মসমর্পণের দিন।
এটাই তো ডিসেম্বর –
বিশ্ব মানচিত্রে মাথা উচু করে
বাংলাদেশের জন্ম নেয়ার দিন,
এটাই তো ডিসেম্বর –
পত পত পুলকে পবনে পবনে
লাল সবুজের পতাকা উড়ার দিন।

প্রশ্ন জাগে
মেহেরুন্নেছা চৌধুরী
—————————————-
এই বাংলার বুকে দাঁড়িয়ে
দেখি যখন রূপমেলা
প্রশ্ন জাগে, প্রশ্ন জাগে মনে,
তা কি গুণতে পেরেছি
দিয়েছে প্রাণ কতো জনে?
তখন তো আমার জন্মই হয়নি।
শুনেছি মায়ের মুখে।
বাংলার বুকে, মাঠে ঘাটে,
বন-জঙ্গলে, রাস্তার ধারে,
বাড়ির আঙ্গিনায়, ঘরের কোণে,
পুকুর -ডোবা -নদীর পাড়ে
যেন ঘুমিয়ে অপেক্ষায় ছিল
স্বাধীন পতাকার।
কতো মায়ের ছেলে ওরা?
কেউ কি চিনতে পেরেছিল,
তারা কারা?
হয়তো বা চিনেছিল।
ছুঁয়ে ও দেখেছিল অনেকে।
কারো বাবা, কারো ভাই
কিন্তু, তারা পায়নি কোন উপায়।
অস্ত্র কাঁধে নিয়ে ছুটে গেল।
বিনিময়ে কি তারা পেল?
অবশ্যই এই সোনালি সূর্য,
সবুজ আঙ্গিনায় লাল রক্তে গড়া
মুক্ত বাতাসে দোদুল্যমান এই পতাকা।

কবি মেহেরুন্নেছা চৌধুরী, পিতাঃ মির আহমদ চৌধুরী, মাতাঃ জাহানারা চৌধুরী, গ্রামঃ হাইল’ধর, উপজেলাঃ আনোয়ারা, জেলাঃ চট্টগ্রাম।উচ্চশিক্ষিতা কবির শিক্ষাগত যোগ্যতা -এম এ যদিও পেশায় গৃহিণী।তার কাজের পাশাপাশি শখ হচ্ছে বই নিয়ে পড়ে থাকা। অন্যদের বই পড়া এবং নিজে লেখা।
তার একক কবিতার বই “একান্ত অনুভূতি” যা ২০১৮ বইমেলায় আসে। একটি যৌথ কবিতার বই “হৃদয় রাখির ডোর”। আল্লাহ অশেষ রহমতে সামনের বইমেলায় আসবে একক গল্প গ্রন্থ ” হিয়ার মাঝে আকুল সুধা” তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। আর-ও তিনটি যৌথ কবিতার বই আসবে যার কাজ চলছে।
কবির লেখায় রয়েছে গভীর দেশাত্মবোধের উপলব্ধি।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840