সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন মেয়র লোকমানের আত্মস্বীকৃত খুনি এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে সক্রিয় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজেই প্রধান অতিথী, সভাপতিত্ব করবেন কে?
গরিবের বন্ধু পল্লী চিকিৎসক জহিরুল ইসলাম

গরিবের বন্ধু পল্লী চিকিৎসক জহিরুল ইসলাম

জহিরুল ইসলাম
জহিরুল ইসলাম

প্রতিবেদক: নুর আহমদ সিদ্দিকী, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। একজন পল্লী চিকিৎসক। সদালাপী ও মিষ্টভাষী। চট্টগ্রামের অন্তর্গত বাঁশখালী উপজেলার ১ নং পুকুরিয়া ইউনিয়নের চাঁদপুরে তাঁর বাড়ি। ছোট বেলা থেকে পরিশ্রমী, অধ্যবসায়ী ও স্বপ্নচারী ছিলেন। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে সবার ছোট তিনি। দীর্ঘ বারো বছর ফার্মাসিস্ট ছিলেন।

তিনি এম, সি, এইচ ঢাকা ( মা ও শিশু হাসপাতাল) থেকে মা ও শিশু রোগের বিশেষ প্রশিক্ষণ লাভ করেন। পারিবারিকভাবে তেমনটা স্বচ্ছল ছিলেন না। তাই শৈশব থেকে কষ্ট বুঝতে শিখেছে। হৃদয় দিয়ে অনুভব করেছে মানুষের সুখ দুঃখ।গরিবের মাঝে নিজেকে বিলিয়ে দিতে পারলেই নিজেকে ধন্য মনে করেন।

গ্রামের সব মানুষের পক্ষে এম বি বি এস ডাক্তার দেখানোর সৌভাগ্য হয়না। যাদের নুন আনতে পান্তা ফুরিয়ে যায় তাদের পক্ষে ভাল ডাক্তারের নাগাল পাওয়া আকাশ কুসুম কল্পনা। তাই সাধারণ পরিবার তথা গরিরের সর্বশেষ ঠিকানা হয় পল্লী চিকিৎসক জহিরুল ইসলামের চেম্বারে।

মানুষের বিপদে ছুটে যেতে ভালোবাসেন। গভীর রাতে ঘুমিয়ে থাকা পল্লী চিকিৎসক জহিরুল ইসলামকে ডাকেন গ্রামের হতদরিদ্র মানুষজন। গরিবের ডাকে সাড়া দেওয়াটা কে তিনি কর্তব্য বলে মনে করেন। অনেক সময় রোগীদের অল্প টাকায় ঔষুধ প্রদান করে। রয়েছে নিজস্ব ফার্মেসিও। সেখানে বসেই গরিবের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।

২০০০ সালে নাটমুড়া পুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস এস সি এবং ২০০৩ সালে বাঁশখালী ডিগ্রী কলেজ থেকে এইচ এস সি সমাপ্ত করেন। চট্টগ্রাম হাজরাতুজ ডিগ্রী কলেজে ১ম বর্ষে পড়াকালীন পারিবারিক অভাব অনটনের কারণে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারেনি। তবে তিনি পড়াশুনা বেশী দূর করতে না পারলেও নিজ মেধা আর ইচ্ছাশক্তির আবেদনেই অসহায় মানুষের মাঝে নিজেকে সেবায় রেখেছেন ব্যাপৃত।

আজ তিনি একে একে সফলতার মুখ দেখছেন। নিজেকে সুখী মানুষ ভাবেন। তার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, গরিবের সেবায় তিনি আনন্দ পান। পারিবারিক জীবনে তিনি দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের বাবা। কখনো কোন সময় মনের ভুলেও তিনি গরিব অসহায়দের টাকার জন্য চিকিৎসা প্রদানে কোন ঘাটতি রাখেন নি। নিজের সাধ্যমত চিকিৎসা প্রদানের চেষ্টা করেন।

ছেলেকে মাদ্রাসায় দিয়েছেন হাফেজ বানাবেন এটাই তার স্বপ্ন। বড় মেয়ে পড়ছেন আলিয়া মাদরাসায় সপ্তম শ্রেণিতে। ছেলে মেয়েকে ঘীরেই তার ভবিষ্যৎ স্বপ্ন। তিনি বলেন “আমি স্বার্থক হবো আমার সন্তান দুটি মানুষের মত মানুষ হলে।”

জন্মের পর বাবা হারান। মায়ের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সাধনায় জীবন সংগ্রামে এতটুকু আসা।পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন সবসময়। সহজে সবার সাথে মেশার মত অভূতপূর্ব গুণাবলী রয়েছে তার মধ্যে। তিনি বলেন, “সাধ্যমত সবার উপকার করতে চেষ্টা করি।” তিনি ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্যে গরিব রোগীদের বিশেষ ছাড়ে সেবা করেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840