সংবাদ শিরোনাম:
বিডি ক্লিনের প্রধান সমন্বয়কের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর সাবেক সহ সভাপতি মশিউর রহমান শরিফ নরসিংদী মডেল থানার নতুন ওসি বিপ্লব কুমার দত্ত চৌধুরী টাঙ্গাইল পৌর ভবন এখন করোনার হট স্পট সাহেদের ৫০ দিনের রিমান্ড আবেদন শাহিন স্কুলের কর্তৃপক্ষ তালা ঝুলিয়ে পালালেন দলীয় নেতা কর্মীরা মিথ্যার জাহাজ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন কেন্দ্রীয় তাঁতী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে ক্লিন টাঙ্গাইলের উদ্যোগে চতুর্থবারের মত প্রতিবন্ধীদের মাঝে উপহারসামগ্রী বিতরণ মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে তাঁতী লীগের মন্তাজউদ্দীন ভূঁইয়ার কর্মসূচি ব্যারিষ্টার ছেলের পিতা টাঙ্গাইল পৌর প্যানেল মেয়র সাইফুজ্জামান সোহেল
ঘাটাইল-মধুপুরের গারোবাজারে পুলিশ ফাঁড়ির দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

ঘাটাইল-মধুপুরের গারোবাজারে পুলিশ ফাঁড়ির দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

থানা স্থাপনের নামে চাঁদাবাজি
থানা স্থাপনের নামে চাঁদাবাজি

নিজস্ব প্রতিবেদক: বহুল প্রচারিত বস্তুনিষ্ঠ এবং নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করে দৈনিক ৭১ এখন সকলের প্রিয় একটি সংবাদ মাধ্যম। দৈনিক ৭১ এ প্রকাশিত সংবাদ “থানা স্থাপনের নামে চাঁদাবাজি” প্রকাশিত হবার পর ঘাটাইল ও মধুপুরে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। স্থানীয় চেয়ারম্যান গারোবাজারে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের কথা বলে ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় ব্যক্তিদের নিকট হতে বিশাল পরিমাণ চাঁদা উত্তোলণ করলেও পুলিশ ফাঁড়ি অন্যত্র স্থাপিত হচ্ছে।

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ও মধুপুর উপজেলার সীমানায় অবস্থিত গারোবাজারে পুলিশ ফাঁড়ির দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে গতোকাল। আজকেও বিশাল গণ মিছিল অনুষ্ঠিত হবার কথা।

গত শুক্রবার ৩ জুলাই বিকেল ৫টায় দুই উপজেলার সীমানা এবং বাজারের মধ্যবর্তী চৌরাস্তায় উভয় পাশের ব্যবসায়ী এবং সর্বসাধারণের উপস্থিতিতে এই কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় দুই পাশের প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ উক্ত মানববন্ধনে অংশ নেয়।

উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন,গারোবাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী,সাংবাদিক সাজ্জাদুর রহমান,মধুপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম,যুবলীগ নেতা সাইদুর রহমান শামীম, সোহেল আহমেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল বাবুল খান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, গারোবাজার (সুনামগঞ্জ) হাঠ ইজারাদার হিসাব আলী, ফরহাদ,ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল হাই,আব্দুস সামাদ ছাড়াও আরও অনেকে। সকলের কথার সারমর্ম ছিল গারোবাজারে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করতে হবে।

উক্ত মানববন্ধনে বক্তারা গারোবাজারে পুলিশ ফাঁড়ির প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব তুলে ধরে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের জোর দাবী জানান। উল্লেখ্য, বিগত কয়েক বছর আগে মহিষমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী আবদুল মোতালেব এবং নব-গঠিত লক্ষিন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একাব্বর আলীর নেতৃত্বে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের জন্য স্থানীয় দোকান মালিক এবং ব্যবসায়ীদের থেকে প্রায় দশ লক্ষাধিক টাকা চাঁদা কালেকশন করা হয়। বিভিন্ন জনের তথ্যমতে এই টাকার অঙ্ক ২০ লাখেরও বেশি হতে পারে।

গারোবাজার (সুনামগঞ্জ) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি পুরাতন ভবনকে অস্থায়ী ক্যাম্প হিসাবে ব্যবহার করতে সেখানে গারদ খানা, অস্ত্রাগারসহ দরজা-জানালা লাগানো বাবদ কিছু টাকা খরচ করা হলেও বাকী টাকার হিসাব নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে।এমনকি বর্তমানে আগের নির্মাণ কৃত অস্থায়ী ক্যাম্পের দরজা,জানালা, চৌকি এবং গ্রীল গুলো পর্যন্ত খুলে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।এমতাবস্থায় গারোবাজারের পার্শবর্তী নেদুর বাজারে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হচ্ছে এমন সংবাদ প্রকাশ হলে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।

দৈনিক ৭১ বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে অন্যান্য মিডিয়াও এগিয়ে আসে। সাংবাদিকদের নিরপেক্ষতার কারনে খুব দ্রুত জনগন সংঘবদ্ধ হচ্ছে।

অপরদিকে গত কয়েক বছর আগে যাদের অনুপ্রেরণায় ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা চাঁদা প্রদান করেছেন তাদের কাউকেই উক্ত মানব বন্ধনে দেখা যায়নি এবং উত্তোলনকৃত টাকারও কোন হিসেব পাওয়া যায়নি। তাদের সাথে মানববন্ধনের আয়োজক বৃন্দ যোগাযোগ করেন তারা গা ছাড়া ভাব দেখান এবং কেউই মানববন্ধনে যাননি। একাব্বর চেয়ারম্যান এই বিষয়ে কোন বক্তব্য প্রদান করেন নি। তিনি বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন। ঘাটাইল অংশের ব্যবসায়ীদের একাংশ কার ভয়ে মানববন্ধনে শামিল হতে পারেনি বলে গোপনে জানান ব্যবসায়ীগণ।

উত্তোলনকৃত টাকার বিষয়ে অস্থায়ী কোষাধক্ষ্য আঃ সাত্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিগত কয়েক বছর আগে যখন ফাঁড়ির নামে চাঁদা উঠানো হয় তখন স্থানীয় গারোবাজার সোনালী ব্যাংকে একটি একাউন্ট খোলা হয়ে ছিলো। একাউন্ট খোলার সময় ৫হাজার টাকা জমা রাখা হয়েছিলো।তারপর আর কোন টাকা জমা রাখা হয়নি। একাব্বর আলী চেয়ারম্যান, শেখ রুবেলসহ আরো যারা চাঁদা উঠিয়েছে তারা কোন টাকা আমার কাছে জমা রাখেনি।শেখ রুবেল ইতিমধ্যে এলাকার চিহ্নিত একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। বিভিন্ন ক্যাডারদের নিয়ে তিনি এলাকাতে মাদক ব্যবসা সহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ড চালাচ্ছেন।পেছনে অদৃশ্য শক্তির হাত থাকায় এখনো সে ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

অভিযুক্ত একাব্বর আলী চেয়ারম্যান এর নিকট মুঠোফোনের মাধ্যমে একাধিক বার জানার চেষ্টা করা হলে তিনি নানা ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন। তিনি কোনরুপ মন্তব্য করেননি।

উক্ত মানব বন্ধনে জেলা পুলিশ সুপারের প্রতি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয় ও দ্রুত একটি লিখিত অভিযোগ এবং গারোবাজার পুলিশ ফাঁড়ির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করা হবে বলেও জানানো হয়। ইতিমধ্যে বিষয়টি টাঙ্গাইলের টপ অফ দি টকে পরিণত হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840