সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন মেয়র লোকমানের আত্মস্বীকৃত খুনি এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে সক্রিয় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজেই প্রধান অতিথী, সভাপতিত্ব করবেন কে?
চরমোনাই মাহফিল যেন আত্মশুদ্ধির মিলন মেলা

চরমোনাই মাহফিল যেন আত্মশুদ্ধির মিলন মেলা

চরমোনাই সম্মেলন
চরমোনাই সম্মেলন

চরমোনাই মাহফিল প্রতি বছর হয়ে যায় নীরবে নিভৃতে। বিশ্ব ইজতেমার মত মিডিয়ার কভারেজ হয়না। করা হয়না পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার মাইকিং। তবুও প্রতি বছর অগ্রহায়ন ও ফাল্গুনের মাহফিলে লাখ লাখ আল্লাহ ওয়ালারা আত্মশুদ্ধির মিলন মেলায় জড়ো হয়। প্রার্থিব কোন নিছক আশা ভরসা নিয়ে তারা চরমোনাই জড়ো হয়না। তারা জড়ো হয় আল্লাহর বিধি বিধান জেনে শুনে মেনে চলার তাগিদে। হাজারো মদখোর চরমোনাই গিয়ে মদ ছেড়েছে,হাজারো পাপিষ্ট পেয়েছে আল্লাহর পরিচয়।

এখানে এসেই ভুল পথ থেকে ফিরেছে লক্ষ লক্ষ লোক। শুদ্ধপথের দিশে পাওয়া মানুষেরা তাই আহ্বান করে বারবার এখানে সবাইকে আশার জন্য।

দূর্গম এলাকা। জলবেষ্টিত চরাঞ্চল চরমোনাই। বরিশাল জেলায় এই চরমোনাই ইউনিয়ন বিশ্বব্যাপি পরিচিত আলোচিত একমাত্র মাওলানা সৈয়দ ইসহাক রহ: মাওলানা সৈয়দ ফজলুল করিম এর ত্যাগ ও কুরবানীর বদৌলতে। মাওলানা সৈয়দ ফজলুল করিম রহ সাত সন্তান আজ বিশ্বের মাঝে দ্বীনের দাওয়াত পৌছে দিচ্ছে নিরলসভাবে। মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম ও মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফযজুল করিম এর আজ এ জাতির রাহবারের ভূমিকায়। তারা বাংলাদেশের কোটি মানুষের স্বপ্নসারথি। তাদের দিকে চেয়ে লাঞ্চিত, অধিকার বঞ্চিত মজলুম জনতা।তাদের হাত ধরে রচিত হওয়ার স্বপ্ন বুনে সোনালী অধ্যায়।

আগামী ২৬, ২৭, ২৮ ফেব্রুয়ারি চরমোনাই ফাল্গুনের মাহফিল। দেশের আনাচে কানাচে থেকে আল্লাহর পাগলরা ছুটবে চরমোনাইর পানে। মুখে থাকবে আল্লাহর জিকির আর হৃদয়ে থাকবে আল্লাহভীতি। তারা এক বিশেষ যন্ত্রণায় কাতর থাকে প্রতিনিয়ত। আর তাহলো জাহান্নাম থেকে বেঁচে জান্নাতে যাওয়ার যন্ত্রণা। টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া, রূপসা থেকে পাথুরিয়া সর্বত্র আজ চরমোনাইর মুজাহিদদের আনাগোনা।

যারা আল্লাহর প্রেমে তার জিকিরে মশগুল থাকে সর্বদা। দেশের বাইরে থেকেও আসে চরমোনাইর ময়দানে। বিশ্বের শ্রেষ্ট বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম দেওবন্দের বহু বজুর্গ আলেম এর আগমনে ধন্য হয় চরমোনাইর ময়দান।

দেশের স্বনামধন্য আলেম ওলামার পদভারে মুখরিত হয় চরমোনাই মাহফিল। প্রতি বছর যাওয়ার ইচ্ছা থাকা স্বত্তেও অনাকাঙ্খিত কারণে যেতে পারিনা।

ইনশাআল্লাহ শীঘ্রই এই অবস্থান পরিবর্তন হবে। যারা চরমোনাইর সমালোচনায় মত্ত তাদের প্রতি অনুরোধ সমালোচনা করার জন্য কিছু তথ্য সংগ্রহ করতে অন্তত একবার চরমোনাই মাহফিল থেকে ঘুরে আসা উচিত। বাহির থেকে ঢিল না ছুড়ে উচিত চরমোনাই মাহফিলে কি অসঙ্গতি আছে তা স্বচক্ষে দেখে আসা।

অনেকেই দূর থেকে অনেক কথা বলে। তারা কখনো চরমোনাইর মাহফিলে যায়নি। আমার একান্ত ইচ্ছে এই অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়া মানুষগুলোকে অন্তত একবার হলেও সত্যটা দেখে আসুক।

লেখকঃ নুর আহমদ সিদ্দিকী

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840