সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন মেয়র লোকমানের আত্মস্বীকৃত খুনি এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে সক্রিয় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজেই প্রধান অতিথী, সভাপতিত্ব করবেন কে?
জাহিদ হোসেন ফাহিম এর বদলে যাওয়ার গল্প

জাহিদ হোসেন ফাহিম এর বদলে যাওয়ার গল্প

ওজন কমানোর উপায়
ওজন কমানোর উপায়

আমি কোন দোকানের চাল খাই?

অনেক মানুষের কাছে এটা জানা খুব জরুরী ছিল।

আমি কেমন আছি? এটা জানার চেয়ে।

আবার সারাদিন ইচ্ছামতো খেয়েও টিংটিঙে চিকন রয়েছেন, এমন মানুষেরা আমাকে খাওয়া কমানোর উপদেশ দিচ্ছে, এই ঘটনাও কম নয়। আমি মোটা তাই বিয়ের জন্য পাত্রী পাবোনা। এই দুঃখেও অনেক মানুষকে হা-হুতাশ করতে দেখেছি। আর এই মোটা শরীরের কারণে বন্ধুমহলে প্রতিনিয়ত হাসি-ঠাট্টার বিষয় হওয়া, অন্যের বিনোদনের কারণ হওয়া- এগুলো তো ছিল পার্ট অফ লাইফ। এসব নিয়ে অভ্যস্থ হয়ে গিয়েছিলাম।

তবুও মাঝেমাঝে ভীষণ কষ্ট হতো- যা কারো সাথে শেয়ার করতে পারতাম না। ওদের বোঝাতে পারতাম না- আমিও মানুষ; তোমাদের মতো ফিট-হ্যান্ডসাম নই, কিন্তু আমারও মন আছে, আমারও কষ্ট লাগে, আমারও একটা সম্মান আছে।

এইতো কয়েকমাস আগের ঘটনা এগুলো। এমন অনেক ঘটনা আছে, যা বলতে গেলে আস্ত একটা বই লিখে ফেলা যাবে, তাই ওসব নিয়ে আর কথা না বলে এবার আসল কথায় ফিরি।

আমি পেরেছি আমার এই কষ্টের দিনগুলো পেরিয়ে আসতে। আমি পেরেছি আমার অতিরিক্ত ৩০ কেজি ওজন কমিয়ে আমার হাইট অনুযায়ী পার্ফেক্ট ওজনে আসতে। আমি পেরেছি… । আমি জাহিদ হোসেন ফাহিম, আজ বলব আমার বদলে যাওয়ার গল্প।

আমার উচ্চতা ৫ফুট ৯ ইঞ্চি, ওজন ছিল ১০৫ কেজি। স্থুলতার এই বোঝা বইতে বইতে যখন আমি ক্লান্ত, তখন একসময় মনে জেদ চেপে গেলে- যথেষ্ঠ হয়েছে; আর না। যেভাবেই হোক, এবার আমি এই অভিশপ্ত জীবন থেকে বেরিয়ে আসবো। বার্তি সব মেদ ঝড়িয়ে ফেলে আমি ফিট হবো।

অনেক কষ্টের জবাব আমি বিনয়ী হয়ে হাসিমুখে দেবো… যে হাসিতে দুপাশের গালগুলো থলথল করে দুলবে না, সেই স্লিম হাসিতে দেবো। এই অবস্থায় এই বছরের ৩রা এপ্রিল গেলাম ডায়েটিশিয়ান শম্পার কাছে। জানলাম, ফিট থাকতে হলে আমাকে ত্রিশ কেজি অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলতে হবে। সেজন্য তিনি আমাকে আমার উপযোগী করে একটা ডায়েট চার্ট দিলেন। সাথে প্রতিদিন চল্লিশ মিনিট হাঁটা।

আমার শারীরিক অবস্থা, লাইফ স্টাইল, পছন্দ-অপছন্দ সহ অনেক কিছুর ওপর ভিত্তি করে এই ডায়েটটা তিনি আমাকে তৈরি করে দিয়েছিলেন। পরদিন থেকে শুরু হলো আমার নতুন জীবনের উদ্দেশ্যে হাঁটা। শম্পা ম্যামের দেয়া ডায়েট অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলেছি। ডায়েটের বাইরে একটা খাবারও ছুঁয়ে দেখিনি।

প্রথম প্রথম খুব কষ্ট হতো। আগে বিকেল হলেই আগে ভাজা পোড়া খেতাম, দুধ চা, মালাই চা খেতাম। রিচফুড-ফাস্ট ফুড, জাংক ফুড সবই খেতাম। একদিনের মধ্যে সবকিছু ছেড়ে দিতে কী পরিমান মানুষিক জোর লেগেছিল- তা একমাত্র আমিই জানি। বিকেলে যখন মিরপুর DOHS এ হাঁটতে যেতাম, তখন সাগুফতার মোরে দুই পাশে গড়ে ওঠা খাবারের দোকান থেকে নানা রকম ঘ্রাণ এসে কাবু করার চেষ্টা করত আমায়। কিন্তু আমি প্রচন্ড রকম কঠোর ছিলাম, তাই ঘ্রাণের কাছে পরাজিত হইনি।

এক-দেড় মাস যুদ্ধ করার পর অবশ্য ওসব ঘ্রাণে আর কোন সমস্যা হয়নি। আবার ওদিকে ৭-৭:৩০ এর মধ্যে রাতের খাবার শেষ করে ফেলি, তাই প্রথম প্রথম ঘুমানোর আগে প্রচন্ড ক্ষুধা পেতো। পেট চোঁ চোঁ করত রীতিমত। বলতে গেলে তখন পেটে পাথর বেঁধে ঘুমাতে যেতাম। সেটাও এক সময় স্বাভাবিক হয়ে গেল। এখন আর রাতে ক্ষুধা পায়না। খাওয়া নিয়ে আমি কখনো আপোস করিনি। যত যা-ই হোক, যে যত মধু মাখিয়েই বলুক, “একদিন খেলে কিছু হয়না”, আমি শুধু ডানে-বামে মাথা নাড়তাম। ‘না’ মানে না। খাবো না মানে খাবো না। ডায়েটের বাইরে একটা খাবরও মুখে দেবোনা।

এমনকি ঈদের দিনও আমার জন্য আলাদা করে খাবার রান্না করিয়েছিলাম।অল্প তেলে ঘী ছাড়া পোলাও আর মুরগির মাংস। কোরবানি ঈদে গরুর ঝোলও ছুঁয়ে দেখিনি। তাই ঈদের ঐ মাসে আমার ওজন তো বাড়েই নি; উল্টো অন্য সময়ের মতো কমেছে। সাস্থ্যকর খাবারের এমন সুন্দর একটা অভ্যাস গড়ে উঠেছে যে, এখন পার্ফেক্ট ওজনে চলে আসার পরেও ওসব রিচফুড, ফাস্টফুড, ভাজা-পোড়া আর চিনি জাতীয় খাবারের প্রতি মন টানেনা। খাবারে তেল দেখলেই অস্বস্তি লাগে। মিষ্টি জাতীয় খাবারে অনিহা চলে এসছে।

শম্পা ম্যাম আমাকে চল্লিশ মিনিট হাঁটতে বলেছিলেন। প্রথম দুই সপ্তাহ সেটাই করেছিলাম। আস্তে ধীরে হাঁটতাম। তিন কিলো হাঁটা হতো। এরপর দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করি, সময়ও বাড়িয়ে দেই। একসময় ৫ কিলো, এরপর ৭ কিলো হাঁটা শুরু করি অল্প দিনের মধ্যেই। ৭ কিলো হাঁটতে সময় লাগত ১ ঘন্টা ১৫-২০ মিনিট মতো। এখন প্রতিদিন ৯ কিলো+ হাঁটার চেষ্টা করি। সুযোগ পেলে আরো বেশী হাঁটি। প্রচুর সাইক্লিং করি। আমি অবশ্য তিন বছরের বেশী সময় ধরে রেগুলার সাইক্লিং করি। মাঝে ডায়েটের প্রথম চার মাস সাইক্লিং অফ ছিল শম্পা ম্যামের নির্দেশে।

সাইক্লিংটা আমার প্যাশন। প্রতিদিনের সব ধরণের যাতায়াতে সাইকেল ব্যবহার করি। হোক সেটা ৫-১০-১৫-২০ কিংবা ৩০ কিলো। সপ্তাহে একদিন (কখনো ২ দিন) ঢাকার বাইরে লং রাইড দেই। সেটা নূন্যতম ৫০ থেকে শুরু করে ৮০-১০০-১৫০ এবং ২০০ কিলো রেঞ্জেরও হয়।

হাঁটাহাঁটিতে তো তরতর করে ফ্যাট বার্ন হতোই, সাথে সাইক্লিং আমার ফ্যাট বার্ণের ফ্লোটা ভালোই সচল রেখেছিল শেষের দিকে। অনেকেরই দেখেছি, শেষে এসে আটকে থাকে; ফ্যাট বার্ণ হতে চায়না। আমার এই ধরণের কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি আল্লাহ্‌র রহমতে। তাই ৭ মাসে আমি ৩১ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলতে পেরেছি অনায়াসেই।

ডায়েটে সফল হতে গেলে সবার প্রথমে যেটা দরকার, সেটা হলো প্রচন্ড মানুষিক শক্তি। পৃথিবী উল্টে যাক, তবুও আপনি আপনার ডায়েটের রুটিন থেকে এক চুল সরবেন না- এরকম কঠোর মানুষিকতায় থাকলেই ডায়েটে সফল হওয়া সম্ভব। আমি রোজা রেখে প্রতিদিন হেঁটেছি। ঝুম বৃষ্টিতে কাক ভেজা হয়ে ৭ কিলো হেঁটেছি। হাঁটার আগে বৃষ্টি নামলে ছাতা নিয়ে বের হয়েছি।

অতি রোদ, অতি বৃষ্টি কোনটাই আমার হাঁটাহাঁটিকে থামাতে পারেনি। এমনকি ঈদের রাতেও হেঁটেছি। হাঁটার টাইমে কোন কাজে সাইকেল ছাড়া দূরে কোথাও গেলে সেখান থেকে হেঁটে বাসায় ফিরেছি। এবং এখনও একই ভাবে আমার হাঁটাহাঁটি মেন্টেইন করে আসছি।

খাওয়া দাওয়ার বেলাতেও আমি একই রকম কঠোর। কোন দাওয়াত বা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যেয়েও আমি আমার ডায়েট ভঙ্গ করিনি। খুব বিনীত ভাবে সবাইকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি আমার ডায়েটের ব্যাপারটা। কেউ বুঝেছে, কেউ হয়ত মন খারাপ করেছে… একেকটা ক্যালরি বার্ন করতে আমার কত কষ্ট হয়েছে, কত কিছু ত্যাগ করতে হয়েছে, কত সাধনা করতে হয়েছে- তা একমাত্র আমি আর আমার আল্লাহ্‌ জানেন।

এত কষ্টের ফল, আমি আর নষ্ট হতে দিতে চাইনা। একবার যখন এই ফিটনেস অর্জন করেছি, এখন সেটা সারা জীবন ধরে রাখতে চাই। আরো বেশী ফিট থাকতে চাই। এই ফিটনেস আমার জীবনটাই পালটে দিয়েছে। এখন আমি চাইলেই যে কোন পছন্দের জামা পরতে পারি। সাইজ নিয়ে কোন টেনশন নাই। সবচেয়ে বড় সাইজ থেকেও দুই-তিন ধাপ নিচের জামা পরতে পারি।

সবচেয়ে আনন্দের ব্যাপার হলো, একসময় যারা আমাকে দেখে উপহাস করত, এখন তারাই আমাকে দেখে অবাক হয়। একসময় যারা আমাকে মোটা কমাতে বলত, এখন তাদের অনেকেই ভুঁড়ি বানিয়ে বসে আছেন। এখন উল্টো তারাই আমার কাছে সাজেশন চান- কিভাবে মেদ কমাবেন।

একসময় যারা আমার চেহারা নিয়ে উপহাস করত, আংকেল ডাকতে চাইত, এখন তারাই বলে আমি নাকি সুন্দর হয়ে গেছি (যদিও আমি সুন্দর না), আমার বয়স কমে গেছে, আমাকে বাচ্চা-বাচ্চা লাগে, ইত্যাদি। এসব শুনলে বুকের ভেতর একটা প্রশান্তি কাজ করে। এই প্রশান্তি আমাকে আরো সাস্থ্যকর খাদ্যাভাস মেনে, আরো সুস্থ এবং পরিশ্রমমুখর একটা জীবনের দিকে ঠেলে দেয় প্রতিনিয়ত…

আরেকটা কথা। অনেকে মোটিভেশন হারিয়ে ফেলেন, বা মোটিভেশন পান না। অন্যের কাছে মোটিভেশন খোঁজেন। অন্যের কাছ থেকে মোটিভেশন নেন- ভালো কথা; তবে শুধুমাত্র ধার করা মোটিভেশনে ডায়েট জার্নি পার করতে পারবেন না হয়তবা। মোটিভেশন নিন নিজের কাছ থেকেই।

সারা সপ্তাহ কঠোর পরিশ্রমের পর, সপ্তাহ শেষে যখন ওয়েট মেশিনে নিজের ওজন কমে যাওয়া দেখবেন- সেটাই তো সবচেয়ে বড় মোটিভেশন! যখন বর্তমান জামাগুলো ঢোলা হয়ে যাবে, পুরনো টাইট জামাগুলো সুন্দর ফিট হয়ে যাবে- সেটাই আপনাকে মোটিভেশন এনে দিবে।

যখন আয়নার সামনে দাঁড়ালে নিজের শারীরিক পরিবর্তন টের পাবেন, যখন দেখবেন আপনার থলথলে দেহটা শুকিয়ে যাচ্ছে, তখন এর চেয়ে সুন্দর মোটিভেশন আর তো কিছু নেই! নিজের কাছ থেকে যখন এভাবে মোটিভেশন নেয়া শিখবেন, তখন দীর্ঘ সময় ডায়েট করলেও কখনো মোটিভেশনের অভাব হবেনা, কখনো ক্লান্ত লাগবে না। বরং জীবন হয়ে উঠবে আরো বেশী সজীব আর প্রাণবন্ত।

শেষ করছি আমার ডায়েট চার্ট দিয়ে। জানিয়ে রাখি, আমার এই চার্ট শম্পা ম্যাম আমার শারীরিক কন্ডিশন আর লাইফস্টাইলের উপর ভিত্তি করে বানিয়েছেন। সবার হয়তো এটা পার্ফেক্টলি কাজে লাগবেনা। কিন্তু আমার আগের এক পোষ্টে অনেক মানুষ আমার ডায়েট জার্নি আর ডায়েট চার্টের কথা জানতে চেয়েছেন। আমার আজকের এই বিশাল পোষ্ট মূলত তাঁদের জন্যই দেয়া।

আমার চার্টঃ

সকালে দুইটা রুটি, একটা ডিম (কুসুম সহ), ২ টা টমেটো।

দুপুরের আগে একটা আপেল।

লাঞ্চে দেড় কাপ ভাত, দেড় কাপ সবজি, দেড়কাপ সালাদ। এক পিস মাছ/মাংশ অল্প তেল আর লবনে রান্না করা।

সন্ধ্যা ৭ টায় এক মুঠ বাদাম, একটা কমলা/আপেল (যেকোন ফল), এক কাপ দুধ।

রাত ১০ টায় তিন পিস খেঁজুর আর এক গ্লাস আদা জ্বাল দেয়া কুসুম গরম পানি।

আর এর সাথে প্রচুর হাঁটা আর সাইক্লিং। এছাড়া আমি আলাদা করে কোন এক্সারসাইজ করিনা।

এই হলো আমার ডায়েটে সফল হওয়ার গল্প। ৩০ কেজি ওজন কমিয়ে পার্ফেক্ট ওজনে আসতে আমার সময়ে লেগেছে প্রায় ৭ মাস। এখনও ডায়েট করে যাচ্ছি। শম্পা ম্যাম বলেছেন হাইট অনুযায়ী আমার পার্ফেক্ট ওজন ৭২-৭৫ কেজি। আমি এখন ৭৪ এ আছি। ইচ্ছা আছে একটু বার্তি ওজন কমিয়ে ৭০ এ চলে আসা এবং এটাকেই ধরে রাখা। আশাকরি এই চূড়ান্ত সফলতাও আমার আসবে। দোয়া করবেন আমার জন্য।

আর হ্যাঁ, আমার মতো অতি সাধারণ একজন যদি ডায়েট করে সফল হতে পারি, তাহলে আপনি কেন পারবেন না? আরে, আপনি তো অসাধারণ একজন! আপনি নিশ্চই পারবেন। শুধু মনকে কন্ট্রোল করে, কঠোর ভাবে ডায়েট জার্নিতে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। ব্যাস, তাহলেই হবে। আপনার জয় হবেই হবে। আপনিই পারবেন। হ্যাঁ, আমি আপনাকেই বলছি- You are the BEST

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840