সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন মেয়র লোকমানের আত্মস্বীকৃত খুনি এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে সক্রিয় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজেই প্রধান অতিথী, সভাপতিত্ব করবেন কে?
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে আইনসিদ্ধভাবে শাশুড়ির দেহের জ্বালা মেটাবে মেয়ের জামাই

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে আইনসিদ্ধভাবে শাশুড়ির দেহের জ্বালা মেটাবে মেয়ের জামাই

শাশুড়িকে বিয়ে করলো মেয়ের জামাই
ছবিটি: প্রতীকি (সংগৃহীত) শাশুড়িকে বিয়ে করলো মেয়ের জামাই

টাঙ্গাইলের গোপালপুরের হাদিরায় শাশুড়িকে বিয়ে করলেন মেয়েকে বিয়ে করার ১১ দিনের মাথায় মেয়ের জামাই। এবার শাশুড়ি তার বৈধ শয্যসঙ্গী।

মেয়ে বিয়ে দেয়ার এগারো দিনের মাথায় টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর থানার হাদিরা ইউনিয়নে চরম লজ্জ্বাজনক একটি ঘটনার অবতারণা করলেন শাশুড়ি। মেয়ের বয়ষ ১৯ আর শাশুড়ির ৪০, মেয়ের জামাইর ৩২। এবার মেয়ের জামাই হয়ে গেল শাশুড়ির স্বামি। বর মোনছের আলী ১১ দিনের ব্যবধানে মেয়ে ও মেয়ের মা মানে তার শাশুড়িকে বিয়ে করলেন।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জানা যায়, মাত্র ১১ দিন আগে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার হাজরাবাড়ী পূর্বপাড়া গ্রামের মৃ’ত ওয়াহেদ আলীর পুত্র মোনছের আলী (৩২) গত ২ অক্টোবর গোপালপুর উপজেলার কড়িয়াটা গ্রামের এক তরুণীকে (১৯) ধুমধাম অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিয়ে করেন।

শাশুড়ি মাজেদা বেগম মেয়ের শশুরবাড়ি বিয়ের পরদিন বেড়াতে যান। সে এক সপ্তাহ বেয়াই বাড়ি থাকার পর গত শুক্রবার মেয়ে এবং জামাই সহ নিজের বাড়িতে ফিরে আসে।

টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুরে শাশুড়িকে বিয়ে নিজের নিজের মেয়ের জামাই

১১ অক্টোবর শুক্রবার বাবার বাড়িতে মেয়েটি আসে আর তার পরেরদিন শনিবার ১২ অক্টোবর তারিখে বিকেলেই তার নতুন সংসারটি ভেঙ্গে যায়। বর মোনছের আলী শ্বশুর বাড়ি বেড়াতে এসে নববধূ তরুণীকে তালাক দিয়ে শাশুড়ি মাজেদা বেগমকে বিয়ে করে সাথে নিয়ে বাড়ি ফিরেন।

গোপালপুর উপজেলার কড়িয়াটাআটা গ্রামের এমন একটি ঘটনায় এলাকার সবার মাথা নিচু হয়ে গেছে। আশেপাশের লোকজনের মুখে তাদের গ্রামের নিন্দা প্রকাশ পাচ্ছে।

মায়ের সাথে নিজের বরের অসামাজিক কাজ চোখে পড়ায় মেয়ে নুরুন্নাহার শনিবার সকালে বরের সংসার করবেন না বলে জানান। ঘটনা জানাজানি হয়। শুরু হয় পারিবারিক বিবাদ।

শাশুড়ি মাজেদা বেগম নিজেই বলেন তিনি নতুন জামাতার সংসার করবেন।এই রূপ নেক্কারজনক পরিস্থিতিতে মেয়ের বাবা গ্রাম্য শালিষ বসান। শালিষে উপস্থিত ছিলেন হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের তালুকদার ছাড়াও ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামসহ এলাকার সকল স্তরের ব্যক্তিবর্গ ।

সামাজিক বিচারে মাজেদা বেগম ও মোনছের আলীকে লা’ঞ্ছিত করে অনেকে অনেক কথা বলেন। সকলেই ধিক্কার জানান।

সকলের সম্মতিতে স্ত্রী মাজেদা বেগমকে তালাক দেন নববধু নুরুন্নাহারের বাবা। পরে বর মোনছের আলী নববধূ ওই তরুণীকেও তালাক দেন।

একই অনুষ্ঠানের সবার উপস্থিতিতে মোনছের আলীর সঙ্গে মাজেদা বেগমের এক লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে সংঘটিত হয়। হাদিরা ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্টার কাজী জিনাত রেজিষ্ট্রি করেন ।

কাজী বলেছেন এটা তার জীবনের প্রথম অভিজ্ঞতা কখনো একই মঞ্চে এভাবে দুটি তালাক এবং বিয়ে তিনি কখনো দেন নি। সকলের সম্মতি থাকায় কাজটি তাকে করতে হয়েছে। তার কাছে জানতে চাওয়া হয় এই ব্যাপারে হাদিস গত কোন বাঁধা আছে কি না? সে বলেন “এই ব্যাপারে কোন বাধা নিষেধ আমার জানা নেই।”

চেয়ারম্যান সাহেবের বরাত দিয় প্রকাশ হয়েছে তিনি বলেছেন এমন একটি ঘটনা ঘটে যাওযায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকার লোকজন বাড়িতে গিয়ে মারপিট শুরু করলে চেয়ারম্যান সাহেব দ্রুত গিয়ে সবাইকে শান্ত করেন। একটি জঘন্য ঘটনার কারনে বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটে যাক তা তিনি চান না।

রাগের মাথায় এলাকাবাসী অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটিয়ে দিতে পারেন তাই তিনি নিজে বিষয়টা সমাধানের চেষ্টা করেন। মেম্বার সাহেব-ও যথেষ্ট অবদান রেখেছেন।

পরিবারের লোকজন বলেন তাদের যেহেতু ইচ্ছা এমন। মেয়ের জামাইর সাথে শাশুড়ি যেহেতু এক বিছানায় শুতে ইচ্ছুক আইনসিদ্ধভাবেই থাকুক। লুকিয়ে লুকিয়ে আকাম কুকাম পাপ কাজ করার কি দরকার!

মেয়ের তো কোন দোষ নেই। ভাগ্যে থাকলে ভাল বিয়ে দিবে বলে মেয়ের বাবা মেয়েকে শান্তনা দেন। এলাকাবাসী-ও মেয়ের বাবা ও মেয়েকে শান্তনা দেয়ার চেষ্টা করেন।

লোকজন অকথ্য ভাষায় বলতে থাকে মেয়ের মায়ের দেহের এতো জ্বালা। মেয়ের জামাইকে দিয়েই তার জ্বালা মেটাতে হয়। জুয়ান-বুড়ো সবাই অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করছে এমন ঘটনার জন্য।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840