সংবাদ শিরোনাম:
বিবস্ত্র করে নির্যাতন: চার বিশিষ্টজনের প্রতিক্রিয়া মিন্নি সর্বশেষ সংবাদ টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন
দলীয় নেতা কর্মীরা মিথ্যার জাহাজ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন কেন্দ্রীয় তাঁতী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে

দলীয় নেতা কর্মীরা মিথ্যার জাহাজ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন কেন্দ্রীয় তাঁতী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে

মন্তাজ উদ্দিন ভূঁইয়া
মন্তাজ উদ্দিন ভূঁইয়া

তাঁতী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতিকে অবগত না করেই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নরসিংদীতে বৃক্ষ রোপন উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। উক্ত অনুষ্ঠান সম্পর্কে জেলা তাঁতী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধীষ্ঠীত ব্যক্তিবর্গ জানেন না বলে দৈনিক ৭১ এর প্রতিনিধিকে অবগত করেন। গতকাল তৎসম্পর্কীয় একটি সংবাদ প্রকাশিত হলে তাঁতীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্ববায়ক মন্তাজ উদ্দিন ভূঁইয়া তার ফেসবুকে নতুন একটি স্ট্যাটাস দেন এবং আগের স্ট্যাটাসটি তিনি কেটে দেন।

এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নরসিংদীর নেতা কর্মীরা তাকে মিথ্যার জাহাজ আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন পোষ্ট ভাইরাল করেন। কারন তিনি চট্টগ্রাম বিভাগীয় তাঁতীলীগের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক কার্যক্রমের দায়িত্বে নিয়োজিত হলেও তিনি দলীয় নির্দেশনার উপর বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে নিজের খেয়াল খুশি মতো বাতিল করে দেয়া শহর তাঁতীলীগের সদস্যদের নিয়ে বৃক্ষরোপন কার্যক্রম করেন।

তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্টে লিখেন,

ভুল সংশোধন:

গতকাল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শত বার্ষিকীতে বাংলাদেশ তাঁতীলীগ ও নরসিংদী জেলা ও শহর তাঁতীলীগের উদ্যোগে চারা বিতরণ ও বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন করেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে আমি ভিডিও কনফারেন্স কথাটি লিখতে ভুলে যাই। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দু:খ প্রকাশ করছি। আমার এই ভুলকে পুঁজি করে দলের ভিতর ঘাপটি মেরে থাকা কতিপয় নেতা নাম সর্বস্ব একটি অনলাইন পত্রিকায় আমাকে নিয়ে বানোয়াট রিপোর্ট করে আমার ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছে। মনে রাখবেন ভুল মানুষ করে তাই সাবধান হয়ে যান মিথ্যা অপবাদ দিয়ে সত্যকে আড়াল করতে পারবেন না। যদি কিছু বলার থাকে সামনে এসে বলুন। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয় হোক মানবতার।

তার এমন একটি বক্তব্যর পর নরসিংদীর বিভিন্ন নেতা কর্মীর ওয়ালে যে পোষ্টটি দেখা যায় সেটি হলো,

“আবারো প্রমাণিত হলো আপনি একটা মিথ্যার জাহাজ”

“আপনি কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা। আর তাঁতীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সকল নেতাকর্মীদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে, সাংগঠনিক ভাবে আপনি চিটাগং বিভাগের দায়িত্বে আছেন। আর নরসিংদী জেলা তো চিটাগং বিভাগের ভেতরে পরেনি, নরসিংদী ঢাকা বিভাগের আওতায়। আর ঢাকা বিভাগের দায়িত্বে আছেন সভাপতি আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার শওকত আলী সাহেব। এখানে কর্মসূচি করলে সভাপতি করার কথা অথচ সভাপতি এই বিষয়ে অবগতই নয়। অপরদিকে আপনি উল্লেখ করেছেন কর্মসূচিতে শহর তাঁতীলীগ উপস্তিত ছিলো কিন্তু শহর তাঁতীলীগের তো কোনো কমিটিই নেই। কমিটি ভেংগে দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় নেতা হয়ে এমন বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেন কেনো? এতে তো আবারো প্রমাণিত হলো আপনি আসলেই মিথ্যার জাহাজ।”

উল্লেখিত নরসিংদীর একজন যুবলীগ নেতা বলেন “এই মন্তাজ উদ্দিন ভূঁইয়া আলোচিত জনপ্রিয় মেয়র লোকমান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামী হয়ে খুনিদের সাথে ঐক্য করে উনি রাজনৈতিক ভাবে অনেকটা ক্ষতিগ্রস্থ্য হোন। এক সময়ের বলিষ্ঠ নেতা মন্তাজউদ্দিন তার হারানো ইমেজ পুনরুদ্ধারের জন্য একের পর এক ভুল পথে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।

মিথ্যার ওপর ভর করে রাজনীতি বৈতরণী পার করতে চাচ্ছেন। আলোচিত মেয়র লোকমান হত্যার পর আদালতে হাজির হয়ে তিনি যেন অলৌকিক ভাবে আদালত থেকে দুইদিনে হত্যা মামলার আসামী হয়েও জামিন নেন। বর্তমান পৌর মেয়র কামরুজ্জামান কামরুলের বিরুদ্ধে নির্বাচন করেন তিনি। নির্বাচনের সময় যদিও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় হেডলাইন হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থী বনাম মন্ত্রীর প্রার্থী। বর্তমান মেয়র কামরুজ্জামান কামরুল তৎকালীন সময়ে শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। বহু চেষ্টা তদবির করেও বিজয়ী হতে পারেনি মন্তাজ উদ্দিন ভূঁইয়া বরংচ বিপুল ভোটে পরাজিত হয়েছিল।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840