সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন মেয়র লোকমানের আত্মস্বীকৃত খুনি এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে সক্রিয় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজেই প্রধান অতিথী, সভাপতিত্ব করবেন কে?
দালালির অন্তরালে দালালির চর্চা বনাম ইসলামী আন্দোলন: নুর আহমদ সিদ্দিকী

দালালির অন্তরালে দালালির চর্চা বনাম ইসলামী আন্দোলন: নুর আহমদ সিদ্দিকী

ইসলামী শাসনতন্ত্র
ইসলামী শাসনতন্ত্র

রাজনীতিতে সন্দেহের নাম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। নীতি আদর্শ বিসর্জন না দেওয়া দলটিই সবচেয়ে তথ্য সন্ত্রাসের শিকার স্বজাতি কতৃক। চারদলীয় ঐক্যজোটে যোগ না দেওয়াতে দলটিকে দালাল আখ্যা দিয়েছিল বিএনপিপন্থী ইসলামী দল সমূহের নেতারা। সেই ধারাবাহিকতা এখনো অব্যাহত।

নির্বাচনের সময় সরকার থেকে ৯০ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে যে গুজব ছড়িয়েছে তার কোন ভিত্তি ছিলনা। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এই মিথ্যাচার ও তথ্যসন্ত্রাস। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কে যারা দালাল বলে অপবাদ দেয় তারা কারো না কারো দালালিতে লিপ্ত। নিজেদের দালালিকে আড়াল করতেই অন্যকে দালাল বলে অপবাদ দিচ্ছে।

১৯৮৭ সালে প্রতিষ্টিত হওয়া দলটি সববচেয়ে বেশি স্বজাতির আক্রমণের শিকার।বস্তুবাদী ও বামপন্থী দলের নেতারা এই দলটির যত বিরোধীতা করে না এর চেয়ে বেশি বিরোধিতা করে নামধারী ইসলামী দলের নেতারা।

তাদের দলীয় হাই কমান্ড থেকে তৃণমূলের দায়িত্বশীলদের বিদ্বেষ চর্চা ও তথ্য সন্ত্রাসের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। গতকাল দেখলাম এক প্রবীণ রাজনৈতিক দলের প্রবীণ নেতার সামনে আরেক নেতা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কে আওয়ামী লীগের দালাল বলে আখ্যায়িত করেছে।

যাদের জন্মই দালালি দিয়ে তাদের মুখ থেকে অন্য দলকে দালাল বলা ডিজিটাল যুগের চোরের আলামত। বর্তমান বিশ্বে সব চেয়ে বড় সন্ত্রাসি আমেরিকা ও ইসরাঈল অথচ তারাই সন্ত্রাস নিধনের নামে মুসলিম নিধন করছে বিশ্বব্যাপি ।

বর্তমানে যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি করে সেই ছলে বলে কৌশলে দুদক এর দায়িত্বশীল হয়ে পড়ে। যারা রাজনৈতিক ময়দানে দুর্নীতি দমনের জন্য মাঠ কাঁপানো শ্লোগান দেয় তারাই দুর্নীতিতে শীর্ষে রয়েছে।

চোর জনতার উত্তম মাধ্যম থেকে বাঁচতে নিজেও চোর চোর বলে চিৎকার করে জনতার মাঝে মিশে যায়। যার কারণে চোর ধরা পড়েনা। যারা একবার আওয়ামী লীগের আরেকবার বিএনপির দালালি করে তাদের মুখে অন্যকে দালাল বলটা জনতার কাতারে মিশে চোর কতৃক চোর চোর বলে চিৎকার করার মত।

ইসলামী আন্দোলনের ভুল হলো তারা নারী নেতৃত্বকে হারাম বলেছে যা ইসলামও হারাম বলে। নারী নেতৃত্বকে হারাম বলার কারণে যারা নারী নেতৃত্বকে মেনে আওয়ামী লীগ বিএনপির জোটে রয়েছে তাদের সম্মানে আঘাত লেগেছে।

কারো সম্মানে আঘাত লাগার কারণে ইসলামের সুমহান আদর্শকে জাতির কাছে ভুলভাবে উপস্থাপনের পাত্র পীর সাহেব চরমোনাই নয়। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কে দালাল বলার কারণে আওয়ামী লীগের কিছু মানুষ তো সহানুভূতি দেখায় যা বিএনপি জোটে থাকা ইসলামী দল সমূহের প্রতি দেখায় না।

সুতরাং আপনারা ইসলামী আন্দোলনকে আ,ওয়ামী লীগের দালাল বলার কারণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রে সুবিধায় আছে।

২০১৪ সালের নির্বাচনে চাইলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রধান বিরোধী দল হয়ে নির্বাচন করে বহু আসন পেত কিন্তু তা দলটি করেনি।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সাথে আতাত করলে সম্মানজনক আসন পেত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

আদর্শকে জলাজঞ্জলি দিতে মোটেও রাজি না থাকা দলটিকে যারা আওয়ামী লীগের দালাল বলে অপবাদ দিয়ে যাচ্ছেন তারা কি ইসলামী আন্দোলনের মত সুযোগ পেলে লোভ কি সামলাতে পারত?

যারা এক / দুটি আসনের জন্য নিলজ্জভাবে পা চাটে তাদের দশটি আসনের অফার দিলে তো সারা দিন রাত পা চাটতে চাটতে ক্ষয় করে পেলত। আপনারা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কে দালাল অপবাদ না দিয়ে নিজেদের দলের হাল ধরুন।

দল তো এখন তিন গ্রুপে বিভক্ত। অন্যের পিছনে না লেগে নিজের চর্কায় তেল দিন। যদি নিলজ্জের মত অন্যদের দালাল বলতে থাকেন তাহলে ভবিষ্যতে আপনাদের দলকে টেলিস্কোপ দিয়ে খুঁজে পাওয়া যাবেনা।

সুতরাং প্রতিহিংসা থেকে অপবাদ না দিয়ে আদর্শ ঠিক রেখে ইসলামী আন্দোলনের মত প্রতিযোগিতামূলক রাজনীতি করুন। বিদ্বেষ চর্চা বন্ধ করে সুস্থ ও আদর্শিক রাজনীতির চর্চা করুন। অন্যকে দালাল বলতে বলতে অন্যথায় নিজেদের দালালি প্রকাশ হয়ে যেতে পারে

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840