সংবাদ শিরোনাম:
দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকার সেরা অফিসার ইনচার্জ ফারুক হোসেন ‘ভোট জালিয়াতি’ তদন্তের নির্দেশ চট্টগ্রামে গলায় ছুরি ধরে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, ধর্ষকদের বাঁচাতে কাউন্সিলরপ্রার্থী বেলালের দৌড়ঝাঁপ নারী নির্যাতন মামলায় বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের বিবাহিত সভাপতি মাহবুব হোসেন কারাগারে দুই নবজাতকের লাশ নিয়ে হাইকোর্টে বাবা কনস্টেবলকে মারধর, শ্রমিকলীগ নেতার স্ত্রী কারাগারে অবক্ষয় থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে চলচ্চিত্রের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে- তথ্যমন্ত্রী পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2020 কর কমিশনারের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২০ ৯ দিনে করোনা জয়ী তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ
দুই নবজাতকের লাশ নিয়ে হাইকোর্টে বাবা

দুই নবজাতকের লাশ নিয়ে হাইকোর্টে বাবা

বাবা আবুল কালাম আজাদ
বাবা আবুল কালাম আজাদ

বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু

দুই নবজাতকের চিকিৎসার জন্য তিনটি হাসপাতালে গিয়েছিলেন বাবা। কিন্তু কোনো হাসপাতালে মেলেনি চিকিৎসা। মারা যায় দুই প্রিয় সন্তান। শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার পেতে সন্তানের লাশ নিয়ে হাইকোর্টে যান বাবা।

সোমবার সকালে জমজ দুই সন্তানের লাশ নিয়ে বাবা আবুল কালাম আজাদ আদালত চত্বরে যান। এরপর বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়টি নজরে আনলে আদালত রুল জারি করেন।

রুলে চিকিৎসা অবহেলায় বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়েছেন। এছাড়া তিন হাসপাতালের তিন পরিচালকের কাছে কেন দুই শিশুকে ভর্তি করা হয়নি তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

হাসপাতালগুলো হলো- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল, ঢাকা শিশু হাসপাতাল ও মুগদা ইসলামিয়া হাসপাতাল।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক বলেন, সোমবার সকালে সুপ্রিম কোর্টের এমএলএসএস আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী সায়েরা খাতুনকে মুগদা হাসপাতাল নেওয়ার পথে সিএনজির মধ্যে দুটি সন্তান প্রসব করেন।

এ সময় তারা প্রসূতিকে ইসলামিয়া হাসপাতালে ভর্তি করে। পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নবজাতকদের শ্যামলীর ঢাকা শিশু হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে।

এরপর নবজাতকদের নিয়ে শ্যামলীতে ঢাকা শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বেডে ভর্তি করতে প্রতি বাচ্চার জন্য ৫ হাজার করে টাকা চাওয়া হয়। টাকা না থাকায় বাচ্চা দুটিকে ভর্তি করা হয়নি।

এ সময় আবুল কালাম আজাদ হাইকোর্টের এক বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেন। বিচারপতি নবজাতকদের বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে নিয়ে যেতে বলেন। পরে তিনি বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে নিয়ে আসেন এবং পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন।

কিন্তু পরিচালকের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা তাকে জানান পরিচালক মিটিংয়ে আছেন। দীর্ঘ সময় পর জানানো হয় পরিচালক বাসায় চলে গেছেন।

এরপর পরিচালকের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা একজন চিকিৎসককে দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে নবজাতকদের দেখান। তখন সেই চিকিৎসক জানান নবজাতক আর বেঁচে নেই।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840