সংবাদ শিরোনাম:
দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকার সেরা অফিসার ইনচার্জ ফারুক হোসেন ‘ভোট জালিয়াতি’ তদন্তের নির্দেশ চট্টগ্রামে গলায় ছুরি ধরে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, ধর্ষকদের বাঁচাতে কাউন্সিলরপ্রার্থী বেলালের দৌড়ঝাঁপ নারী নির্যাতন মামলায় বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের বিবাহিত সভাপতি মাহবুব হোসেন কারাগারে দুই নবজাতকের লাশ নিয়ে হাইকোর্টে বাবা কনস্টেবলকে মারধর, শ্রমিকলীগ নেতার স্ত্রী কারাগারে অবক্ষয় থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে চলচ্চিত্রের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে- তথ্যমন্ত্রী পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2020 কর কমিশনারের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২০ ৯ দিনে করোনা জয়ী তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ
দেশপ্রেমিক নেতার নাম মুফতি রেজাউল করিম : নূর আহমদ সিদ্দিকী

দেশপ্রেমিক নেতার নাম মুফতি রেজাউল করিম : নূর আহমদ সিদ্দিকী

চরমোনাই পীর
চরমোনাই পীর

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল। যিনি চরমোনাই পীর সাহেব নামে দেশব্যাপি সর্বাধিক পরিচিত। তাহার বয়স বেশি না হইলেও তিনি সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতা পাইতে শুরু করিয়াছেন। অস্থিতিশীল, নোংরা ও প্রতিহিংসার রাজনীতি চর্চার এই যুগেও তিনি নীতি আদর্শের রাজনীতির চর্চা করিয়া সর্বমহলে প্রসংশিত হইতেছেন।

১৯৭১ সালে পৃথিবীর এই রঙ্গিন খেলাঘরে আগমন ঘটে মুফতি রেজাউল করিম এর। ছোটবেলা হইতে খোদাভীরু রেজাউল করিম একটা সময় আসিয়া এই জাতির নেতৃত্বে প্রদান করিবে তাহা কাহারো জানা ছিলনা। বর্তমানে তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমির এর দায়িত্ব পালন করিতেছেন। তিনি ইসলাম,দেশ, মানবতা ও স্বাধীনতার পক্ষে রাজনীতি করিতেছেন। তিনি ভাবিতেছেন দেশ ও দশের কথা।

সুখে – দুঃখে গরিবের পাশে দাঁড়াইতে তিনি কখনো দ্বিধাবোধ করেনি। তাহার নীতি আদর্শ জন মানুষের কাছে প্রসংশা পাইতেছে। তিনি একজন দেশপ্রেমিক ও মানবতাবাদী নেতা। তিনি ইসলামের জন্য যেমন জীবন দিতে রাজি ঠিক তেমনি দেশের জন্যও জীবন দিতে প্রস্তুত।

২০০৯ সালে যখন ভারত সরকার টিপাইমুখে বাঁধ দিইয়া বাংলাদেশকে মরুভূমিতে পরিণত করিবার ঘৃণ্যষড়যন্ত্রে মেতে উঠিয়াছিল তখন ভারতের ঐ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রূখে দাঁড়িয়েছিল মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম পীর সাহেব চরমোনাই। তিনি প্রথমে ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাস ঘেরাও করিয়াছিল।

তাতেও সুফল না আসিলে ২০০৯ সালের ২৬,২৭,২৮ ডিসেম্বর ভারতের টিপাইমুখ অভিমুখে তিন দিন ব্যাপি ঐতিহাসিক লংমার্চ করিয়াছিলেন। দেশের স্বাধীরতা সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী এই নেতা দেশ বিরোধী সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সবার আগে রাজপথে অান্দোলন করিতে নামিয়া পড়েন।

বিশ্বের যে কোন প্রান্তে মুসলমানরা নির্যাতিত হইলে তিনি সবার পূর্বে প্রতিবাদ করিয়া থাকেন। মিয়ানমারে যখন মুসলমানরা চরমভাবে নির্যাতন ও হত্যার শিকার হইতেছিল তখন এই দেশপ্রেমিক ও মানবতাবাদী নেতা ঘরে বসিয়া থাকিতে পারেন নাই।

দেশব্যাপি শুরু করিয়াছিল আন্দোলন। ঘেরাও করিয়াছিল ঢাকাস্থ মিয়ানমারের দূতবাস। ২০১৬ সালের ১৮ ও ১৯ ডিসেম্বর গণ হত্যার প্রতিবাদে মিয়ানমার অভিমুখে লংমার্চ করিয়াছিলেন তিনি। রাখাইন থেকে প্রাণে বাঁচিয়া আসা রোহিঙ্গাদের সার্বিক সহযোগিতা ছিল প্রসংশা করিবার মত।

সেই ২০১৬ সাল হইতে অদ্যবধি রোহিঙ্গাদের সেবায় নিযোজিত রহিযাছেন তাহার রাজনৈতিক সংগঠন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। গত দুই দিন পূর্বে ভয়েস আমেরিকার নিউজ প্রকাশ করিয়াছে রোহিঙ্গাদের সেবায় সব চেয়ে বেশি অবদান রাখিয়াছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

দেশের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের সহযোগিতায় যিনি সবার আগে ছুটিয়া গিয়াছেন তিনি হইলেন মুফতি রেজাউল করিম পীর সাহেব চরমোনাই। যাহা কথায় ও কাজে শতভাগ মিল রহিয়াছে। তিনি শুধু দেশপ্রেমিক নেতা নহে মানবতাবাদী নেতাও বটে।

তিনি দেশপ্রেম কে বুকে ধারণ করিয়া সততার সহিত রাজনীতির চর্চা করিতেছেন। আর্ত মানবতার সেবায় তিনি সবার আগে ছুটিয়া যান। যেখানেই মাজলুমের হাহাকার আর আহাজারি সেখানেই রেজাউল করিম এর সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত হইতে থাকে।

তাহার চিন্তা চেতনায় মিশিয় রহিয়াছে ইসলাম,দেশ,মানবতা ও স্বাধীনতার কথা।রাজনৈতিক অঙ্গনে তাহার বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করিয়া বেড়াইলেও তিনি সেই সবের পেছনে সময় কাটাইনা। শত অপবাদ আর বিষোদগার কে তুচ্ছ জ্ঞান করে সত্যের পথে সাহসের সাথে এগিয়ে চলতিছে আপন লক্ষ্য পানে।

ক্ষমতার মোহে যিনি কখনো কোন বাতিল শক্তির সাথে আপোষ করে নাই তাহাকে অমুক, তমুকের দালাল বলিয়া যহারা গলা ফাটাইতেছেন আসলে তহারাই দালালির রাজনীতির সূচনা করিয়াছিল।

হিংসুকের হিংসা, জালিমের জুলুম আর বাতিল শক্তির রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করিয়া যিনি সম্মুখপানে বীরের বেশে দুর্বার গতিতে এগিয়া যাইতেছেন তিনি। দেশে যখন সহিংস্র রাজনীতির চর্চা হইতেছে তখনও তিনি নীতি আদর্শ ও শান্তির রাজনীতির চর্চা করিতেছেন।

নিঃসন্দেহে তিনি দেশপ্রেমিক ও মানবতাবাদী এক মহান নেতা।

লেখক পরিচিতি:

নুর আহমদ সিদ্দিকী ১৯৯৫ সালে ১৫ এপ্রিল চট্টগ্রামের অন্তর্গত বাঁশখালী উপজেলার ১ নং পুকুরিয়া ইউনিয়নের নতুন পাড়ায় জন্ম গ্রহণ করেন। ছোট বেলা থেকে কবিতা লেখালেখি অভ্যাস ছিল। তাঁর প্রকাশিত যৌথ কাব্য গ্রন্থগুলো নীলাঞ্জনার কাব্যকথন, অনুভূতির অক্ষরগুলো, কারিগর, আমি কবি নই শব্দ শ্রমিক। একক গ্রন্থ – স্বপ্নতরী ( ছোট গল্প), জিরো থেকে থেকে হিরো (কবিতা)। তিনি চট্টগ্রাম রাহাত্তারপুল এফ এ এম একাডেমির শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত আছেন। তিনি একাধারে কবি, গল্পকার, কলামিষ্ট এবং শিক্ষক।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840