সংবাদ শিরোনাম:
বিডি ক্লিনের প্রধান সমন্বয়কের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর সাবেক সহ সভাপতি মশিউর রহমান শরিফ নরসিংদী মডেল থানার নতুন ওসি বিপ্লব কুমার দত্ত চৌধুরী টাঙ্গাইল পৌর ভবন এখন করোনার হট স্পট সাহেদের ৫০ দিনের রিমান্ড আবেদন শাহিন স্কুলের কর্তৃপক্ষ তালা ঝুলিয়ে পালালেন দলীয় নেতা কর্মীরা মিথ্যার জাহাজ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন কেন্দ্রীয় তাঁতী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে ক্লিন টাঙ্গাইলের উদ্যোগে চতুর্থবারের মত প্রতিবন্ধীদের মাঝে উপহারসামগ্রী বিতরণ মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে তাঁতী লীগের মন্তাজউদ্দীন ভূঁইয়ার কর্মসূচি ব্যারিষ্টার ছেলের পিতা টাঙ্গাইল পৌর প্যানেল মেয়র সাইফুজ্জামান সোহেল
নতুন বই পৌঁছে গেছে দেশের সকল বিদ্যালয়ে

নতুন বই পৌঁছে গেছে দেশের সকল বিদ্যালয়ে

নতুন বই পৌঁছে গেছে দেশের সকল বিদ্যালয়ে
নতুন বই পৌঁছে গেছে দেশের সকল বিদ্যালয়ে

সরকার এই বছর প্রায় ৪০ কোটি বই বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করছে , এটি বিশ্বের কোনো দেশে নেই। অবাক বিষয় সকল বই স্কুল গুলোতে পৌঁছে গেছে। জানুয়ারীর ১ তারিখে পেয়ে যাবে কোমলমতী শিক্ষার্থীরা। নতুন বইয়ের গন্ধে মৌ মৌ করবে সারাদেশ।

সরকার ২০১০ সাল থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ করে আসছে। শিক্ষাক্ষেত্রে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে ধরা হয়। ২০১৩ সালে বছরের প্রথমদিনে সকল শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই পৌঁছে দেয়ার অঙ্গীকার করেছিল সরকার।

আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় পাশের হার বৃদ্ধি, নারী শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উৎসাহব্যঞ্জক উপস্থিতি এবং মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে বই বিতরণ- এগুলো শিক্ষাক্ষেত্রে ধণাত্মক নির্দেশক। এখন গুণগত পরিবর্তনের বিষয়টি গভীরভাবে দেখার সময় কারণ প্রতি বছর পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পাশের হার আর শিক্ষার মান ঠিক উল্টোগতিতে পেছনে যাচ্ছে।

বছরের প্রথমদিন ‘পাঠ্যপুস্তক উৎসব’ পালন করা হয় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহর এমনকি প্রতিটি স্কুলে। বিষয়টি শিক্ষার্থীসহ শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিকট আনন্দের।


অনেকের মতবাদ ছিল এমন আমাদের দেশ সমাজতান্ত্রিক দেশ নয় যে সরকারকে সব বই বিনামূলে বিতরণ করতে হবে। তাছাড়া সরকারের সে ক্ষমতাও ভালোভাবে নেই। শিক্ষাখাতে রয়েছে প্রচুর সমস্যা, বোর্ডের বই কেনা খুব একটা সমস্যা নয় অনেকের জন্যই। এমনটি নয় যে, বোর্ডের বইয়ের অভাবে ছাত্রছাত্রীরা পড়াশুনা করতে পারছে না। হ্যাঁ, বোর্ডের বই সরকার বিনামূল্যে দিতে পারতেন হাওড়-বাওর এলাকায়, বস্তিতে, বিশেষভাবে পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলোতে। গ্রাম-শহর, ধনী-দর্রিদ্র সবার জন্য দরকার ছিল না বিনামূল্যে সরকারি বই। তাছাড়া বোর্ডের বই পড়লেই যে সব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তা তো নয়, সহায়ক বই শিক্ষার্থীদের কিনতেই হচ্ছে এবং তার দাম প্রচুর।

কিন্তু এরা কখনোই ভাবেন না বেসরকারি পর্যায়ে যখন বই বিতরণ করা হতো বইয়ের অস্বাভাবিক মূল্য, কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের জিম্মি করে বই গুদামজাত করা হতো। বেসরকারি প্রকাশকরা যাচ্ছেতাইভাবে বইয়ের ব্যবসা করতেন। তার ফলশ্রুতিতে সরকার নিজ হাতে বই বিতরণ শুরু করেছে।

শিক্ষান্বেষী সাড়ে চার কোটি ছেলে–মেয়ে নতুন বইয়ের গন্ধে বিভোর হবে। নতুন দিনের এক স্বপ্নের হাতছানিতে এগিয়ে যাবে তারা। এত শিশুর হাতে একসঙ্গে বই তুলে দেওয়া নিঃসন্দেহে এক মহাযজ্ঞ। সরকার তথা দেশবাসীর পক্ষ থেকে এটিকে ‘বই উৎসব’ বলা হয়। এই অভিধাকে অত্যুক্তি বলার অবকাশ নেই। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে সরকারের সব প্রস্তুতিকে সফলই বলা যায়।

বই উৎসব যাতে প্রতিটি শিশুর কাছে উৎসব হয়ে ধরা দেয়, তা এখন নিশ্চিত করা দরকার। বই উৎসবের দিন যারা নতুন বই হাতে পায়, তারা মহা আনন্দে হাসতে হাসতে বাড়ি ফেরে।

বিগত বছরগুলোতে কোথাও বই বিতরণের সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়নি। শুরুতে যদিও কোন কোন স্বার্থান্বেষী মহল এমনটি করে আসছিল। সরকারের তৎপড়তায় এখন বই নিয়ে আর দুর্নিতী নেই। তবে বেশ কিছু স্কুলকে বই পেতে বেশ বেগ পেতে হয়। বই সহজে যাতে সবাই পায় সেই ব্যাপারে সরকারে সুদৃষ্টি কাম্য। সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং কিন্ডারগার্টেন যেন একই বাবার ঔরসজাত সৎ সন্তান হিসেবে এই দেশে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে দৃশ্যমান। এর প্রতিকার প্রয়োজন। সরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান বাড়ানো প্রয়োজন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840