সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন মেয়র লোকমানের আত্মস্বীকৃত খুনি এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে সক্রিয় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজেই প্রধান অতিথী, সভাপতিত্ব করবেন কে?
নীলাঞ্জনা চম্পার রমজান নিয়ে কলাম

নীলাঞ্জনা চম্পার রমজান নিয়ে কলাম

doinik71.com

৩০ দিন রোজা রাখার খুশিতে মহানবী এক এতিম শিশুকে রাস্তার পাশে কাঁদতে দেখে তাঁকে আদর করে নতুন কাপড় কিনে দিয়েছিলেন । এতটুকু ছোটবেলায় স্কুলের বই পড়ে জেনেছি। বড় হয়ে জেনেছি এ আনন্দের কারণ মহান আল্লাহ নিজেই পবিত্র কুরআনে আলোকপাত করেছেন:- “হে মানুষ, তোমাদের জন্য তোমাদের রবের পক্ষ থেকে এসেছে উপদেশ ,যা অন্তরের সকল রোগের প্রতিষেধক। আর মুমিনদের জন্য পথ নির্দেশ ও রহমত। হে নবী! বল, ‘ এটা আল্লাহরই অনুগ্রহ এবং রহমত যে এই জিনিস তিনি তোমাদের জন্য পাঠিয়েছেন। এ জন্য লোকদের আনন্দ করা উচিৎ । তারা যা কিছু সঞ্চয় করেছে তার সবকিছুর চেয়ে এটা উত্তম।” (সূরা ইউনুস ঃ ৫৭-৫৮) এখন এটা বলতে চাই যে, রোজা রাখার অর্থ হল- সারাদিনের পানাহার বন্ধ রাখা । যাতে একদিকে ওইসব গরীবের দুঃখ বুঝতে পারবে অন্যদিকে সকল পাপ থেকে নিজেকে সংযত রাখবে এবং এবাদতের মাধ্যমে দিন পার করবে । সামর্থ থাকলে যাকাত ফেতরা দিয়ে গরীবদের সাহায্য করবে। যারা অনেকেই সারাদিন খাদ্য বা পানাহার থেকে বঞ্চিত থাকে, তাদের কষ্ট বুঝবে এবং তাদের পাশে দাঁড়াবে। অন্যদিকে যেহেতু এই মাসে কোরআন নাযিল হয়েছে তাই, এই মাসটি স্বরনে রেখে /কোরআন সৃষ্টির সাক্ষী হিসেবে, এই মাসটিকে রোজার মাস হিসেবে ধরা হয়েছে।বেশি ইবাদর ও বেশি নেকি হাসিল হবে এই মাসে ।রোজা মানে ধৈর্যের পরিক্ষা ।সমস্ত পাপ থেকে নিজেকে সংযত রাখা ।মূলত ইবাদতের মাস হল রমজান মাস।বলা যায় অধিক নেকির মুনাফা লাভের মাস রমজান মাস। সারাদিনের রোজা শেষে ইফতারের সময় একটু পানি কিছু খেজুর আর পারলে সাথে হালকা কিছু খাবারের আয়োজন করা ।এই মাসে খারার হিসাব আল্লাহ মৌকুফ করবেন বলেছেন । আর সেহেরীর সময় কিছু খাবার খেয়ে আবার ইবাদতে মশগুল থাকা । ঈদে পারলে নতুন কাপড় কিনবে না হয় নাই । নবীজি ইদের দিন নতুন কাপড়কে বাধ্যতা মূলক বা ফরজ বলেনি। বলেনি সেমাই ছাড়া কারো ঈদ হবে না। এবার আসুন , আমাদের আধুনিক রোজাদারদের রোজা সম্পর্কে কিছু ধারণা দেই। সারাদিন খেতে পারবেনা বলে সারারাত খাবার খেয়ে লাখ লাখ টাকা সাবার করা হল তাদের রোজা ।সন্ধ্যা হলে হাজার হাজার টাকার খাবার সাবার করা, যাকে বলি ইফতার। এর পর এটা সেটা খেতে -খেতে কোনোরকম তারাবী শেষ করে অনেকে। অনেকে পেটের জন্য নামাজ আদায় করতেও ভয় পায়। সারাদিন শুধু ঈদ নিয়ে ভাবনা। কে কোনটা কিনবে ,পারলে পুরো মার্কেট কিনে ফেলে ।কি নেই সেখানে জুতা থেকে শুরু করে হাঁড়ি পাতিল পর্যন্ত । তাদের ব্যস্ততা দেখে মনে হয় রোজা মানে কেনাকাটার মাস। ইফতার পার্টিও হয় এই মাসে । হায়রে বোকার দল সারাদিন ফেসবুকিংআর কুকুরের মত খেয়ে না খেয়ে টাকা দিয়ে হল ভাড়া নিয়ে, ইফতার পার্টি করে সেলফি তুলে ফেসবুকে দেয়ার জন্য ।কতটা জঘন্য এরা। এছাড়া আর একটা বাজে অভ্যাস হল ইদের কয়েকদিন আগেই কোথাও না কোথাও বেড়াতে যেতে হবে ।অনেকেই একখানা বড় ওজুহাত দাড় করায় নারীর টানে বাড়ি যাই।তাদের আগ্রহ দেখলে মনে হবে সবার বেড়ানোর মাস মনে হয় রমজান মাস । মনে হয় তারা হাজার বছর পর জেলখানা থেকে ছাড়া পাচ্ছে । ঢাকার শহরে তাদের এতদিন আটকে রাখা হয়েছিল তাই সুযোগ পেয়ে সব ভাগছে/ পালাচ্ছে । আমার প্রশ্ন তাদের কাছে্‌”আপনাদের সারা বছর কে? কোথায় যেতে মানা করছে ? কে সেমাই খেতে মানা করছে ? আপনাদের এসব ফালতু নিয়মের কারনে । ছেলে হয়ে মাকে খুন করেছে ইদের কেনাকাটার জন্য। বাবা সন্তানদের খুন করছে কাপড় কিনতে পারেনি বলে । শুধু এই রোজার অজুহাতে দ্রব্যমুল্যের দাম বাড়ে ডাবল ২০ টাকার জিনিস ১০০ টাকা। গাড়ি ভাড়া বাড়ে। দুর্ঘটনা বাড়ে । ছিনতাই চুরি ডাকাতি বাড়ে আরও বেশি। সব মিলিয়ে বলা যায় রোজা কোন ইবাদতের মাস নয় এখন রোজা হল ব্যবসা করার মাস ,কেনাকাটার মাস, বেশি খাবার মাস, বেড়াতে যাবার মাস । আসুন রোজার মাসের আসল ইবাদতগুলো ও রোজার কারন সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করি । কে কি কিনেছে এসব জিজ্ঞাসা থেকে বিরত থাকি কত দামি জিনিস কিনেছে এসব জিজ্ঞাসা থেকে বিরত থাকি । তাহলে কোন সন্তান তার মাকে মারবে না ।কোন মা -বাবা তাদের সন্তানকে মারবেনা। রোজার ফযিলত তাদেরকে বোঝাতে সক্ষম হই যারা নামাজ পরে ,রোজা রেখেও জিনিসের দাম বাড়ায়, অন্যায় করে ,ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করে, মানুষ হয়ে মানুষের সর্বশ্ব কেড়ে নেয়,সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করে।আসুন রোজাকে রোজার মত করে পালন করি লালন করি। তখন দেখবেন কেউ বলবেনা পৃথিবী বদলে গ্যছে । আসলে পৃথিবীর আয়তন থিকই আছে বদলে গেছে আমাদের মন । শয়তানের ধোঁকায় চলছে মানব জীবন।

নবীজি ইদের দিন নতুন কাপড়কে বাধ্যতা মূলক বা ফরজ বলেনি। বলেনি সেমাই ছাড়া কারো ঈদ হবে না। 


এবার আসুন আমাদের আধুনিক রোজাদারদের রোজা সম্পর্কে ধারণা: সারাদিন খেতে পারবে না বলে সারারাত খাবার খেয়ে লাখ লাখ টাকা সাবার করা। সন্ধ্যা হলে হাজার হাজার টাকার খাবার সাবার করা । যাকে বলি ইফতার। এর পর এটা সেটা খেতে খেতে কোনোরকম তারাবী শেষ করে অনেকে অনেকে পেটের জন্য নামাজ আদায় করতেও ভয় পায়। সারাদিন শুধু ঈদ নিয়ে ভাবনা। কে কোনটা কিনবে পারলে পুরো মার্কেট কিনে ফেলে । কি নেই সেখানে জুতা থেকে শুরু করে হাঁড়ি পাতিল পর্যন্ত ।তাদের ব্যস্ততা দেখে মনে হয় রোজা মানে কেনাকাটার মাস। ইফতার পার্টিও হয় এই মাসে । হায়রে বোকার দল সারাদিন ফেসবুকিং, কুকুরের মত খেয়ে না খেয়ে টাকা দিয়ে হল ভাড়া নিয়ে ইফতার পার্টি করে সেলফি তুলে ফেসবুকে দেয়ার জন্য । কতটা জঘন্য এরা। এছাড়া আর একটা বাজে অভ্যাস হলে ঈদের কয়েকদিন আগেই কোথাও না কোথাও বেড়াতে যেতে হবে ।

অনেকেই একখানা বড় ওজুহাত দাড় করায় নারীর টানে বাড়ি যাই। তাদের আগ্রহ দেখলে মনে হবে সবার বেড়ানোর মাস মনে হয় রমজান মাস । মনে হয় তারা হাজার বছর পর জেলখানা থেকে ছাড়া পাচ্ছে । ঢাকার শহরে তাদের এতদিন আটকে রাখা হয়েছিল তাই সুযোগ পেয়ে সব ভাগছে/ পালাচ্ছে । আমার প্রশ্ন তাদের কাছে আপনাদের সারা বছর কে কোথায় যেতে মানা করছে। কে সেমাই খেতে মানা করছে। আপনাদের এসব ফালতু নিয়মের কারনে । ছেলে হয়ে মাকে খুন করেছে ইদের কেনাকাটার জন্য। বাবা সন্তানদের খুন করছে কাপড় কিনতে পারেনি বলে । শুধু এই রোজার অজুহাতে দ্রব্যমুল্যের দাম বাড়ে ডাবল ২০ টাকার জিনিস ১০০ টাকা। গাড়ি ভাড়া বাড়ে। দুর্ঘটনা বাড়ে । ছিনতাই চুরি ডাকাতি বাড়ে আরও বেশি। সব মিলিয়ে বলা যায় রোজা কোন ইবাদতের মাস নয় এখন রোজা হল ব্যবসা করার মাস ,কেনাকাটার মাস, বেশি খাবার মাস, বেড়াতে যাবার মাস ।

আসুন রোজার মাসের আসল ইবাদতগুলো ও রোজার কারন সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করি । কে কি কিনেছে এসব জিজ্ঞাসা থেকে বিরত থাকি কত দামি জিনিস কিনেছে এসব জিজ্ঞাসা থেকে বিরত থাকি । তাহলে কোন সন্তান তার মাকে মারবে না ।কোন মা -বাবা তাদের সন্তানকে মারবেনা। রোজার ফযিলত তাদেরকে বোঝাতে সক্ষম হই যারা নামাজ পরে ,রোজা রেখেও জিনিসের দাম বাড়ায়, অন্যায় করে ,ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করে মানুষ হয়ে মানুষের সর্বশ্ব কেড়ে নেয়, সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840