সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন মেয়র লোকমানের আত্মস্বীকৃত খুনি এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে সক্রিয় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজেই প্রধান অতিথী, সভাপতিত্ব করবেন কে?
নোবেলের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে তাহসিনেশন

নোবেলের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে তাহসিনেশন

নোবেল
নোবেল

নোবেলকে পঁচাতে গিয়ে তাহসিনেশনের যখন ফ্যান ফলোয়ার কমতে থাকে তখনই তাহসিনেশনের নোবেলকে নিয়ে নতুন চাল। বিভিন্ন মেয়ে আইডি খোলে নোবেলেরে বিরুদ্ধে বাজে ও আপত্তিকর পোষ্ট দিয়ে পোষ্টগুলো শেয়ার হলে আইডি উধাও।

অনেকে বলছে এই সব কর্মকান্ড একমাত্র তাহসিনকেই মানায়। ইতিপূর্বে দেখা গেছে সে নোবেলকে নিয়ে আজেবাজে মন্তব্য করে একটা ভিডিও ছাড়ে যেখানে নোবেল রবীন্দ্র নাথ কে ছোট করে কোন কথাই বলে নি। সেখানে তাহসিন ও তার অন্ধ ফলোয়ারেরা নোবেলকে ট্রল করে নিজেরে চ্যানেলের ভিউ বাড়াতে উঠে পরে লাগে।

নোবেল কিছু দিন আগে একটি ইউটিউব ভিডিওতে বলেছে “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমার সোনার বাংলা যা আমাদের জাতীয় সংগীত তার চেয়ে অনেক বেশি প্রিন্স মাহমুদ স্যারের আমার সোনার বাংলা গানটি আমাদের দেশকে এক্সপ্লেইন করে। কথাটা কি আসলে ভুল?

১০০% খাঁটি ও নিঁখুত কথাটি কারন রবীন্দ্রনাথ বাংলাদেশ এর প্রেক্ষাপটে গানটি লিখেন নি অপরদিকে প্রিন্স মাহমুদ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বর্তমান সময়ে গানটি লিখেন।রবীন্দ্রনাথ তৎকালীন সময়ে এই ভারতীয় উপমহাদেশীয় ভূখন্ডের প্রেক্ষাপটে একটি কবিতা লিখেন। যেখানে এই অঞ্চলের প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য়ে

নির্মল ও সুদ্ধ পরিচিতি দেয়ার মাধ্যমে সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন।

পরবর্তীতে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে। এক জরূরী সভার মাধ্যমে আমার সোনার বাংলা কবিতাটির প্রথমাংশ নিয়ে জাতীয় সংগীত হিসেবে অর্ন্তভূক্তির জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অনুমোদন দেয় যা সর্বজন স্বীকৃত ও গৃহীত এবং স্বাধীন বাংলাদেশের একটি সাংবিধানিক স্বীকৃত বিষয়।

জাতীয় সংগীত নিয়ে নোবেল কোন প্রশ্ন না তোলেও রীতিমতো বিপাকে পরে যান। তিনি শুধু বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করে অন্য একটি গানের কথা বলেছিলেন। এই নিয়ে কুৎসা রটাতে থাকে তাহসিনেশন ও তার ভক্তদের একাংশ।

তাহসিনের এমন হীন কাজে কমতে থাকে তার সাবস্কাইবার।অভিযোগ আছে নোবেল ভক্তদের এই যে তাহসিন তখন নতুন প্ল্যান করে। নোবেল এর কুৎসা রটাতে বেশ কয়েকটা নারী আইডি ক্রিয়েট করে এবং খুব দ্রুত বাজে পোষ্ট গুলো ভাইরাল করে।

নোবেল কিংবা তার পরিবার এখনো এই বিষয়ে আইনের দ্বারস্থ্য হোন নি। নোবেল একটি পোষ্টের মাধ্যমে এর প্রতিবাদ করলেও পরবর্তীতে সে তার পোষ্টটি তুলে নেন এবং তিনি এই বিষয়ে কোন মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন নি।

নোবেলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। নোবেলের ঘনিষ্ঠ একজন বলেন “নোবেল ও তার পরিবারের এসব নোংরামি পছন্দ নয়। তারা কামড়াকামড়ি পছন্দ করেন না। কিছু দুষ্টু লোক থাকবেই যাদের কাজ-ই হলো কেউ ভালো কিছু করলে তাকে টেনে নামানো। নোবেল তার গান নিয়ে আছে। সে তার গান নিয়েই ভাবতে চায়। এসব মামুলি বিষয় নিয়ে সে ভাবতে চায় না।”

নোবেল এর বিপক্ষে এমন করার আগে সাফিন স্যারের বিরুদ্ধেও কুৎসা রটায় ফেসবুকে অনেক নারী আইডি থেকে। একজন নারী টিভি চ্যানেল এবং ফেসবুক লাইভে এসেও শাফিন স্যারের বিরুদ্ধে অভিয়োগ করে তবে শাফিন এর ছোট ভাই শাফিনের বরাত দিয়ে সব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও পরিকল্পনামাফিক কেউ করেছে বলে দাবী করেন।

দেখা যায় শাফিন স্যার ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষক হিসেবে ঢাকাতে একটি কোচিং পরিচালনা করা ছাড়াও ইউটিউবে বিভিন্ন জনসচেতনেতা মূলক কাজ করার মাধ্যমে ফেইম কামাচ্ছিলেন। তিনি বেশ এগিয়ে-ও গিয়েছিলেন।একদিন তিনি একটি রেস্টুরেন্টে গিয়ে স্যুপের বাটিতে পেনসিল ব্যাটারি পেয়েছেন বলে দাবী করেন। যা কোন সুস্থ্য মানুষে নিকট গ্রহনযোগ্য হয়নি।

এই বিষয়ে তাহাসিন মন্তব্য করলে তখন শাফিন স্যারের সাথে বিরোধ শুরু হয়। সেই বিরোধের জের ধরে তাহসিন শাফিন স্যারকে হেয় করতে কিছু কূটকৌশলের আশ্রয় নেন। শাফিন স্যারকে নির্ধিদ্বায় যেখানে সবাই দোষী বলছেন সেখানে তার কাজটি অনেক সহজ হয়ে যায়।

নোবেলের ব্যাপারে কাজটি সহজ হয়নি। নোবেলের এই ভদ্র, নম্র স্বভাবের ভেতরে কি সত্যিই লুকিয়ে আছে কোন সত্যিকারের স্ক্যান্ডেল! এটাই সবার প্রশ্ন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840