সংবাদ শিরোনাম:
পাকিস্তানে ও ভারতে ২ জনের দ্বারা আরও বিশ জনের সংক্রমিত

পাকিস্তানে ও ভারতে ২ জনের দ্বারা আরও বিশ জনের সংক্রমিত

করোনা
করোনা


বিয়েতে গিয়ে ৯ জনকে করোনাভাইরাস দিলেন এক নারী।
করোনার সময়ে ভালো নেই পাকিস্তান। দেশটিতে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। শেষ পাওয়া তথ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৮২০।
বিশ্বজুড়ে মহামারি নভেল করোনাভাইরাসে পাকিস্তানে এরই মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের করাচিতে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে ৯ জন মানুষকে করোনায় আক্রান্ত করলেন এক নারী। এমন একটি ঘটনায় রীতিমত তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে দেশটি জুড়ে।
দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, এক পরিবারের ৯ জন সদস্য করাচির একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যান। সেই বিয়ের অনুষ্ঠানে একজন নারী করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। পরে তার কাছে থেকেই ওই পরিবারের সবাই করোনায় আক্রান্ত হন। ওই নারী সৌদি আরব থেকে সম্প্রতি পাকিস্তানে ফেরেন।
বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পরই পরিবারের ওই ৯ সদস্যের মধ্যে করোনার লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে। পরে তাদের হাসপাতালে নিয়ে করোনার পরীক্ষা করা হয়। সেখানেই ৯ জনের শরীরে ধরা পরে করোনার উপস্থিতি। তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আর ওই নারীর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শদাতা জাফর মির্জা জানিয়েছেন, পাকিস্তানের চিকিৎসকরা চীনের চিকিৎসকদের থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। করোনা রুখতে তিনি খুবই আশাবাদী। যদি সামাজিক দূরত্বের নিয়ম মেনে চলা যায় তাহলে তারা মহামারিটি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবেন।
সাধারণ নাগরিকদের এমন অসতর্কতার কারনে রীতিমত ভয়াবহভাবে ছড়াচ্ছে করোনা। সরকার জনগনকে সবসময় সচেতন করে চলছে। প্রবাসীদের কারনেই পাকিস্তান আজ ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি।


ঘরে দু’জনকে ভাইরাস দিলেন বিদেশ ফেরত, সম্ভবত ৮ কর্মীকেও!


চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়ে নিজের পরিবারের দুইজন ও অফিসের ৮ কর্মীকে আক্রান্ত করেছেন ভারতের মধ্যপ্রদেশের এক যুবক। এ ঘটনায় শুক্রবার মধ্যপ্রদেশের জবলপুর জেলায় তার নামে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
সম্প্রতি তিনি বিদেশ থেকে ফিরেছেন। তাকে কোয়ারেন্টিনে থাকার কথা থাকলেও তিনি সেটা মানেননি। পরবর্তীতে পরীক্ষায় তিনি করোনা পজেটিভ প্রমাণিত হন।
তার পরিবারের আরও দুই সদস্য করোনা পজেটিভ হয়েছেন এবং তার অফিসের ৮ সহকর্মী করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন বলে সন্দেহ করা হরা হচ্ছে। তাদের মাঝেও করোনার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে । এই সহকর্মীরা সবাই তার সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল বলে জবলপুরের একজন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
গত ১৬ মার্চ ওই ব্যক্তি দুবাই থেকে দেশে ফিরেছেন। বিমানবন্দরে স্ত্রিনিংয়ে তার করোনা ধরা পড়েনি। তবে তাকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর ভারত জাদব। বিদেশফেরত সকল যাত্রী এবং যারা সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশ ভ্রমণ করেছেন সকলের জন্য এটা বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছেন ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর।
শুক্রবার মধ্যপ্রদেশে প্রথম করোনা রোগী ধরা পড়ে। সেখানে জবলপুর শহরেরর চারজন করোনা পজেটিভ সনাক্ত হন। তাদের মধ্যে এই ব্যক্তি এবং তার পরিবারের দুই সদস্যও রয়েছেন। এছাড়া একটা ম্যানস শপে কাজ করে এমন ২২ জনের মাঝেও করোনার লক্ষণ দেখা দেওয়ায় তাদেরও পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। যদিও তাদের পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও হাতে আসেনি।
যাদব বলেন, এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি আইপিসি ধারা ১৮৮ (সরকারী আইন অমান্য করা) এবং ২৬৯ (রোগের সংক্রমণের ছড়ানো) এর অধীনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
যারা তার সংস্পর্শে এসেছিলেন তাদের সকলকে প্রশাসন খুঁজে বের করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া ভাইরাসের লক্ষণযুক্ত আট কর্মচারীকে জেলা হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।
এদিকে জেলা কর্তৃপক্ষ, নগরীর সমস্ত বাজার বন্ধ রাখার এবং প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহের সাথে জড়িত ব্যতীত বাস ও পরিবহন পরিষেবা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। সারাদেশ লক ডাউনের আওতায় আনতে পরামর্শ দিচ্ছেন বুদ্ধিজীবীগণ। ভারত সরকার রীতিমত তোপের মুখে পরেছেন। ভারতের করোনা পরিস্থিতি যথেষ্ট উব্ধেগজনক। ইতিমধ্যে বিশ্লেষকগণ বলেছেন চিন ও ইটালির পর ভারতেই এটি মহামারি আকারে ছড়িয়ে পরবে। ভারত অত্যন্ত জনবহুল ও অধিক ঘনত্বের একটি দেশ।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840