সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন মেয়র লোকমানের আত্মস্বীকৃত খুনি এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে সক্রিয় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজেই প্রধান অতিথী, সভাপতিত্ব করবেন কে?
পোল্ট্রি ব্যবসায়ী শফিকুলকে অংশীদার আশরাফুল কর্তৃক হত্যাচেষ্টা

পোল্ট্রি ব্যবসায়ী শফিকুলকে অংশীদার আশরাফুল কর্তৃক হত্যাচেষ্টা

শফিকুলকে অংশীদার আশরাফুল কর্তৃক হত্যাচেষ্টা
শফিকুলকে অংশীদার আশরাফুল কর্তৃক হত্যাচেষ্টা

গত ৫ই জানুয়ারী আনুমানিক বেলা ১২ টার সময় টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মোমিনপুর বাজারে “মোমিনপুর-রসুলপুর পোল্ট্রিফিড এন্ড মেডিসিন কর্নার” খুলতে গেলে শফিকুল ইসলামকে উপুর্যপরী আঘাত করে রীতিমত আহত করেন তারই ব্যবসায়ের অংশীদার আশরাফুল ইসলাম। এরকম বর্বরোচিত একটি হামলায় এলাকাবাসী রীতিমত ক্ষুব্ধ হলেও আক্রমণকারী, দাঙ্গাবাজ বিএনপি নেতা আশরাফুল (ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক) এর ভাই বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করতে সাহোস পাচ্ছে না।

এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজমান। ঐ ঘটনার দিনই থানায় ঘটনার ভূক্তভোগীর ভাগিনা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করতে যান। কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি আমলে নিয়ে পরেরদিনই ইনভেস্টিগেট করার জন্য লোক পাঠায়। রসুলপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান দায়িত্ব নেন মামলাটি শালিষ এর মাধ্যমে এলাকায় সমাধান করার।

ভূক্তভোগী শফিকুল ইসলাম রীতিমত আহত হয়ে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ছিলেন, বর্তমানে তিনি বাড়িতে অবস্থান করছেন। তার চিকিৎসা চলমান।

শফিকুল ইসলাম এর থেকে জানা যায় ২০১৬ সালের জুন মানে আশরাফুল ইসলাম ও শফিকুল ইসলাম যৌথভাবে টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইলের রসুলপুর ইউনিয়নের মোমিনপুরে লেয়ার পোল্ট্রির খাদ্য ও ঔষধের ব্যবসায় শুরু করেন। পরবর্তীতে তাদের আরেকজন অংশীদার হিসেবে আশরাফুল ইসলাম এর বেয়াই সাইফুল ইসলাম পলাশকে যুক্ত করেন। দোকানের নামকরণ করা হয় মোমিনপুর-রসুলপুর পোল্ট্রিফিড এন্ড মেডিসিন কর্নার। দোকানের ট্রেড লাইসেন্স আশরাফুল ইসলাম এর নামে নেয়া হয়। আশরাফুল ইসলাম অত্যন্ত সুকৌশলে প্রতিষ্ঠানের প্যাড ও ক্যাশমেমোতে স্বত্তাধিকার হিসেবে নিজের একক নাম ব্যবহার করেন।

এমনকি এসিআই গোদরেজ এগ্রোভেট প্রা: লি: এর সাথে চুক্তি সম্পাদন কালে তিনি নিজের একক নাম ব্যবহার করেন। অংশীদারদের মধ্যে বিশ্বস্ততার কারনে মনে চাপা ক্ষোভ থাকলেও তার আধিপত্যবাদের বিষয়টি মেনে নেন অপর অংশীদারগণ। যে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গেলেও শফিকুল ইসলাম বিপাকে পড়েন কারন অপর দুই অংশীদার বলতে গেলে একই পরিবারের সদস্য ছিলেন। এভাবেই এগিয়ে চলছিল তাদের স্বপ্নের ব্যবসায়।

ব্যবসায়ের শুরুতে আশরাফুল ইসলাম হিসাবের খাতাপত্র ব্যবস্থাপনা করতে গেলে শফিকুল ইসলামের কাছে বেশ কিছু অসংলগ্নতা ধরা পরে ফলে ডিসেম্বর/২০১৬ থেকে ফেব্রুয়ারি/২০১৭ পর্যন্ত শফিকুল ইসলাম হিসাবের খাতাপত্র তদারকি করেন। অংশীদারদের মতামতের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে পুনরায় আশরাফুল ইসলাম হিসাব সংরক্ষণের দায়িত্ব নেন। তিনি ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় হিসাবাদি রক্ষণাবেক্ষণ করেন। পূর্বের হিসাব এমনকি এই সময়ের হিসাব বারবার চাইলেও গড়িমসি করেন আশরাফুল ইসলাম। পরবর্তীতে আশরাফুল ইসলামের ভাই মর্তুজ আলী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মেম্বার পদপ্রার্থী হলে স্বদ্যোগে হিসাবের খাতাপত্র শফিকুল ইসলামকে দেখতে বলে। পুরাতন হিসাব চাইলে নির্বাচনের অযুহাতে এড়িয়ে যায়। ২০১৮ সালের ফেব্রয়ারি থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত শফিকুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করেন।

শফিকুলকে অংশীদার আশরাফুল কর্তৃক হত্যাচেষ্টা
প্রতারক আশরাফুল ইসলাম

এই সময়ে অত্র এলাকায় পোল্ট্রি শিল্প মারাত্মক হুমকির মধ্যে পড়ে। অধিকাংশ খামারিগণ ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়ে ব্যবসা বন্ধ করে দেন। বারবার পুরাতন হিসাব চাইলেও কোনক্রমেই আশরাফুল ইসলাম হিসাব দেন না অপরদিকে তার ভাই নির্বাচিত হয়ে হস্তক্ষেপ করতে থাকেন।

পুনরায় ব্যবসায় ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশায় এলাকার বন্ধ হয়ে যাওয়া কিছু খামার ভাড়া নিয়ে এবং ক্রয় করে শফিকুল ইসলাম এর উদ্যোগে নিজেরাই মুরগী উত্তোলন করেন। এই সময় সাইফুল ইসলাম পলাশ মুরগির অংশিদার থাকবে না বলে অংশীদারদের অবগত করেন। ব্যবসায়ের অবস্থান ভাল না থাকায় শফিকুল ইসলাম ব্যক্তিগত তহবিল হতে পাঁচ লাখ টাকা ব্যবসায়ে অতিরিক্ত মূলধন হিসেবে ধার প্রদান করেন।

ইতিমধ্যে নজরুল পুলিশের সাথে আশরাফুলের ভাগে মুরগির খামার নিয়ে সমস্যা দেখা দেয়ায় শালিষ বসে। সেখানে শফিকুল ইসলামকে মিথ্যা স্বাক্ষি দিতে বলায় শফিকুল রাজি না হওয়ায় আশরাফুল ক্ষিপ্ত হয়। নজরুল পুলিশের ভাষ্যমতে আনুমানিক সাড়ে চার লাখ টাকা তাকে ঠকায় আশরাফুল ইসলাম।

তাদের ব্যবসা ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকে সফলতায় মোড় নেয়। লাভবান হতে থাকেন। ইতিমধ্যে সাইফুল ইসলাম পলাশ ঈদ উল ফিতরের পর ব্যবসায়ের হিসাবের জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। আশরাফুল ইসলাম হিসাব না দেওয়াতে সে সমঝোতার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদানের দাবী জানান। শফিকুল ইসলাম বলেন হিসাবান্তে যা প্রাপ্য তাই দেয়া হবে। যেহেতু দুজনে মিলে আশরাফুল ইসলামের কাছ থেকে হিসাব নেয়া যাচ্ছে না সেহেতু একা আরও বেশি ঝামেলায় পড়বো।

খাতাপত্র না দেখিয়ে সাইফুল ইসলাম পলাশের অনুপস্থিতিতে আশরাফুল ইসলাম একটি হিসাব উপস্থাপন করেন সেসময় শফিকুল ইসলাম পাঁচ লাখ ষাট হাজার টাকার তথ্য গোপন প্রমান করেন। তখন আশরাফুল ইসলাম প্রস্তাব করেন সমপরিমাণ টাকা শফিকুল ইসলামকেও গোপনে দেয়া হবে। সাইফুল ইসলাম পলাশকে ঠকাতে তার এই পরিকল্পনায় পা দেয়নি শফিকুল ইসলাম এতে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য বেড়ে যায়।

উক্ত ঘটনার পরেরদিন আশরাফুল ইসলাম জানান পলাশ মুরগির ভাগ দাবী করেছেন এতে করে শফিকুল ইসলাম রাগান্বিত হোন কারন পলাশ আগে থেকেই মুরগির ভাগের অংশীদার নয় বলে দাবী করে আসছিল।

পরবর্তীতে সাইফুল ইসলাম পলাশ-ও আকস্মিকভাবে মুরগির ভাগের দাবী জানান। যাতে রীতিমত বিস্মিত হোন শফিকুল ইসলাম।

সাইফুল ইসলাম পলাশ ও আশরাফুল ইসলাম এক জোট হওয়ায় মুরগির ভাগ দিতে শফিকুল ইসলাম বাধ্য হন। পলাশ ১ বছরের পারিশ্রমিক বাবদ দুজনকেই ১ লাখ ২০ হাজার করে বেতন দিতে চাইলে আশরাফুল ইসলাম বেতন নিবেন না বলে জানান।

শফিকুল ইসলাম বেতন নিতে চান এবং পূর্নাঙ্গ হিসাব দেখতে চাইলে বাকবিতন্ডা হয়। সাইফুল ইসলাম পলাশ খাতা পত্রের দায়িত্ব নিলেও সে তার পরিবর্তে আশরাফুল ইসলামের নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করে। সে আশরাফুল ইসলামের মৌখিক ও অযৌক্তিক হিসাবের আলোকেই নিজেদের মধ্যে আলোচনা নিষ্পত্তি করতে চেষ্টা করেন। হিসাবপত্র ঠিকমতো বুঝে না পেয়েও সাইফুল ইসলাম পলাশ বলেন “এ পর্যন্ত যা হয়েছে তা তো হয়েছেই। যদি জ্ঞানত তোমরা আমাকে ঠকিয়ে থাকো তবে আমার দাবী থাকবে আর যদি অনিচ্ছাকৃত কেউ কাউকে ঠকাও বা ঠকো তাহলে আমার কোন দাবী নেই, তোমরাও কোন দাবী রেখো না। আমরা নতুন করে আবার কাজ করি। এখন ব্যবসায়ে লাভ হচ্ছে, পুরোনো সব ভুলে যাই। পুরাতন হিসাবপত্রের আর দরকার নেই।”

প্রতি মাসের দুই তারিখে তাদের মাসিক কার্যাবলির হিসাব হবে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন কিন্তু এর পরবর্তীতে অধ্যাবধি আশরাফুল ইসলাম ব্যবসায়ের কোনরূপ হিসাব প্রদর্শন করেনি।

উক্তসময়ে আনুমানিক প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যবসায়ে মুনাফা অর্জিত হলেও কোন লাভের অংশ শফিকুল ইসলামকে দেয়নি। বারবার চেষ্টা করা স্বত্তেও হিসাবে বসাতে পারেননি শফিকুল ইসলাম। এমতাবস্থায় শফিকুল ইসলামের নামে নেয়া দোকানের জন্য ২ লাখ টাকার লোনের কিস্তির টাকা নিজ তহবিল থেকে শফিকুল ইসলাম পরিশোধ করেন।

হঠাৎ আশরাফুল ইসলাম শফিকুল ইসলামের খামারের খাবার দেয়া বন্ধ করে দেন। বিভিন্নভাবে শফিকুল ইসলামের সাথে ঝগড়া করার চেষ্টা করতে থাকেন। এমতাবস্থায় এলাকাবাসীসহ একবার তারা আলোচনায় বসলেও সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেননি। আলোচনা শেষে মর্তুজ মেম্বার তার ক্ষমতা ব্যবহার করে হিসাবের খাতাপত্র নিজ জিম্মায় নিয়ে নেন। মাত্র ৫ টি খাতা অনেক বলে কয়ে শফিকুল ইসলাম নিতে পারেন, যা থেকে তিনি প্রায় দশ লাখ টাকার গড়মিল বের করেন। সকল জালিয়াতির তথ্য বের হয়ে যাবে বুঝতে পেরে আশরাফুল ইসলাম ও তার ভাই মর্তুজ মেম্বার আর হিসাবের খাতা বের করতে রাজি হয়নি।

শফিকুল ইসলাম বাধ্য হয়ে চেয়ারম্যান সাহেবকে উক্ত সমস্যাটি নিষ্পত্তি করে দিতে অনুরোধ করলে চেয়ারম্যান সাহেব ১১ ই জানুয়ারী বিষয়টি নিয়ে বসে আলোচনা করার জন্য সময় নির্ধারণ করেন। চেয়ারম্যানকে অবগত করায় আশরাফুল ইসলাম রীতিমত ক্ষুব্ধ হন।

এমতাবস্থায় গত ৫ ই জানুয়ারী শফিকুল ইসলাম নিজের খামারের মুরগির ঔষধের জন্য তাদের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে গেলে তার উপর আকস্মিকভাবে হামলা চালায় আশরাফুল ইসলাম। এলোপাথারি আঘাতে অত্যন্ত গুরুতরভাবে আহত করেন শফিকুল ইসলামকে। নাকে, মুখে, চোখে এবং গোপনাঙ্গে আঘাত করার পাশাপাশি গলায় চাপ দিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করেন। এলাকাবাসীর হস্তক্ষেপে শফিকুল ইসলামকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয় উক্ত ঘটনায় মর্তুজ মেম্বার উপস্থিত থেকেও তার ভাইকে প্রতিহত করতে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। মুখের ভেতরে কেটে যাওয়ায় ৫ টি সেলাই দিতে হয়।

এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায় আশরাফুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন এলাকার লোকজনকে ব্যবসায়ের মাধ্যমে প্রতারণা করে আসছিলেন। এর মধ্যে ‍তেজগাঁও ঢাকার কাদের খান এর সাথে ডিমের ব্যবসা করার সময়, সখিপুরের মুরগি ব্যবসায়ী হারুন এর নিকট থেকে মুরগির বাচ্চা ক্রয় করে মূল্য পরিশোধ না করে, বরচওনা খাবারের ব্যবসায়ী ভুইঞ্রার দোকান ( বেশ কয়েকবার ডিবির হস্তক্ষেপে কিছু টাকা তারা উঠাতে সমর্থ হলেও এখনো অনেক টাকা পাওনা রয়েছেন), সাগরদিঘীর মাইনউদ্দিন এর নিকট থেকে পোল্ট্রির ঔষধ এনে সেই টাকা মেরে দেন, গারোবাজারের দুলাল ভূইঞার এর খাবারের দোকান থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা মেরে দেন, মোমিনপুর এর নজরুল পুলিশের খামার থেকে প্রায় ৪ লাখ টাকা আত্মস্বাত করেন।

সুমন এর দোকান থেকে লেনদেন করে বকেয়া টাকা এখনো পরিশোধ করেনি।
মুন্নাফ দানী ও হাসান মেকার এর পাওনা টাকা পরিশোধ করেননি। মোমিনপুর সিআইজি সমিতির প্রায় আট লাখ টাকার হিসাব দিতে গত ১ বছর ধরে তিনি গড়িমসি করছেন।

রসুলপুরের তোফাজ্জল হোসেন দুই লাখ টাকা উদ্ধার করতে না পেরে আশরাফুল ইসলামের বাবার মৃতদেহ দাফনে বাঁধা দিয়েও উক্ত টাকা উদ্ধার করতে পারেননি। ধলাপাড়া টিটু ভুইয়ার ঔষধের দোকান থেকে ঔষধ এনে টাকা মেরে দেয়, রতনগঞ্জ মোশারফ হোসেনের ঔষধের দোকান থেকে ঔষধ এনে বিল পরিশোধ করেনি, হবিবর রহমান এর নিকট থেকে টাকা ধার আনেন কিন্তু হবিবর রহমান হঠাৎ মারা গেলে কোন স্বাক্ষি না থাকায় তা আজোবধি প্রকাশ করেন নি। এছাড়াও আরো বিভিন্ন জনের কাছ থেকে অর্থআত্মসাত করায় বিভিন্ন সময়ে আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে শালিষ বিচার করা হয়।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840