সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন মেয়র লোকমানের আত্মস্বীকৃত খুনি এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে সক্রিয় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজেই প্রধান অতিথী, সভাপতিত্ব করবেন কে?
প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ সহকারী ফারাবীকে স্বামি পরিচয় দিয়ে হোটেল যান: প্রমান মেলায় তাকে অপসারণ

প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ সহকারী ফারাবীকে স্বামি পরিচয় দিয়ে হোটেল যান: প্রমান মেলায় তাকে অপসারণ

তুরিন আফরোজকে অপসারণ
তুরিন আফরোজকে অপসারণ

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার ওয়াহিদুল হকের মোবাইল ফোনে থাকা দুই অডিও রেকর্ডের কারণে ফেঁসে গেছেন তুরিন আফরোজ। ওয়াহিদুল হককে গেফতারের পূর্বেই আগাম প্রস্তুতি স্বরুপ তুরিন আফরোজ দেখা করেন। সাড়ে তিন ঘন্টা ব্যাপী গোপন বৈঠক-ও করেন।

ফলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর পদ থেকে পেশাগত অসদাচরণ, শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রসিকিউটর ড. তুরিন আফরোজকে অপসারণ করা হয়েছে। তিনি আর কোন মামলা লড়তে পারবেন না।

আইনমন্ত্রী বলেন, অপরাধীর সঙ্গে তিনি যে কথা বলেছেন তার রেকর্ড আমাদের কাছে আছে। সেখানে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তার অর্থ্যাৎ তুরিন আফরোজের গলা প্রমাণিত হওয়ায় আমরা তাকে অপসারণ করেছি। আসামীর ফোনেই এই ভিডিও রেকর্ড করেছিলেন।

তুরিনের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ এবং অভিযোগের স্বপক্ষে যথাযথ প্রমাণ রয়েছে বলেও নিশ্চিত করছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ট্রাইব্যুনালের আরেক প্রসিকিউটার জিয়াদ আল মালুমও সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সঠিক তথ্য প্রমানের ভিত্তিতেই তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।


এর আগে চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন শাখা থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। এরপর তাকে মন্ত্রণালয় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। তিনি অব্যাহতি পাওয়ার পর কোন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন নি।

অভিযোগ: ওয়াহিদুল হককে গ্রেপ্তারের আগে গত নভেম্বরে তুরিন আফরোজ প্রথমে তাকে টেলিফোন করে দেখা করার সময় চান। এর পর একটি হোটেলে ওয়াহিদুল হকের সঙ্গে গোপন বৈঠকও করেন তিনি।ফোনে তুরিন জানান যে তিনি বোরকা পরে ওই হোটেলে যাবেন। তার সঙ্গে থাকবে সহকারী ফারাবি, যাকে তিনি নিজের স্বামী পরিচয়ে সেখানে নিয়ে যাবেন। তিনি ফোনের কথামত কাজটি যথাযথভাবে পালন-ও করেছেন।

২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল রাজধানীর গুলশান থেকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা- এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ওয়াহিদুল হককে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ। ওই সময় তার মোবাইল ফোনটিও জব্দ করে পুলিশ। পরে সেটি পরীক্ষা করতে গিয়ে দুটি অডিও রেকর্ড পাওয়া যায়। ওই অডিওতে তার সঙ্গে তুরিনের যোগাযোগের তথ্য ছিল। দুটি অডিওর মধ্যে একটি টেলিফোন কথোপকথনের রেকর্ড। এটি চার মিনিটের মতো। অন্য অডিওটি ওই গোপন বৈঠকের, প্রায় পৌনে তিন ঘণ্টার মতো। এই রেকর্ডের বিষয়ে কিছুই জানতেন না তুরিন।

তদন্ত সংস্থার সিনিয়র সমন্বয়ক সানাউল হক বলেন, তাদের টেলিফোনে কথা হয় গত বছরের ১৮ নভেম্বর। আর পর দিন ১৯ নভেম্বর ঢাকার অলিভ গার্ডেন নামে একটি রেস্তোরাঁর গোপন কক্ষে বৈঠকটি হয়। সেখানে তুরিন আফরোজ, তার সহকারী ফারাবি (স্বামি পরিচয়ে), আসামি ওয়াহিদুল হকসহ মোট পাঁচজন ছিলেন।

প্রসিকিউটর জিয়াদ তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র বিরোধিতার অভিযোগ এনে বলেন, শুধুই পেশাগত অসদাচরণ নয়, তিনি ফৌজদারি অপরাধও করেছেন। তার কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রবিরোধিতার সামিল। কারণ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রম রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। তাই তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্র শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে বলে প্রত্যাশা করি। রাষ্ট্র কোন কারনেই তাকে ক্ষমা করতে পারে না।

তুরিন আফরোজের এমন হীন কান্ডে সমালোচকরা বেশ পেয়ে বসেছেন। স্বামি পরিচয় দিয়ে ফারাবির সাথে আর কতবার হোটেলে গিয়েছেন তদন্ত করতে বলছেন কর্মকর্তাদের। ফারাবি বা তুরিনের পক্ষ থেকে কোন বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840