সংবাদ শিরোনাম:
দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকার সেরা অফিসার ইনচার্জ ফারুক হোসেন ‘ভোট জালিয়াতি’ তদন্তের নির্দেশ চট্টগ্রামে গলায় ছুরি ধরে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, ধর্ষকদের বাঁচাতে কাউন্সিলরপ্রার্থী বেলালের দৌড়ঝাঁপ নারী নির্যাতন মামলায় বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের বিবাহিত সভাপতি মাহবুব হোসেন কারাগারে দুই নবজাতকের লাশ নিয়ে হাইকোর্টে বাবা কনস্টেবলকে মারধর, শ্রমিকলীগ নেতার স্ত্রী কারাগারে অবক্ষয় থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে চলচ্চিত্রের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে- তথ্যমন্ত্রী পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2020 কর কমিশনারের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২০ ৯ দিনে করোনা জয়ী তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ
বাংলার নতুন অধিনায়ক তামিম ইকবাল

বাংলার নতুন অধিনায়ক তামিম ইকবাল

তামিম ইকবাল অধিনায়ক
তামিম ইকবাল অধিনায়ক

রবিবার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালকদের সভাশেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। দ্বিতীয় দফায় তামিমের অধিনায়কত্বের শুরুটা হবে পাকিস্তান সফরের একমাত্র ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নতুন ওয়ানডে অধিনায়কের দায়িত্ব দেয়া হলো ওপেনার তামিম ইকবালকে। মাশরাফির বিদায়ের পর নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা করে বিসিবি। পাকিস্তান সফরে একমাত্র ওয়ানডে ম্যাচের মধ্য দিয়ে দলের দায়িত্ব পালন করবেন তামিম। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না জানানো পর্যন্ত তামিমই থাকবেন বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক নিশ্চিত করেছেন পাপন।

প্রাথমিকভাবে বোঝাই গিয়েছিল, মাশরাফির রেখে যাওয়া শূন্যস্থান পূরণ করার দৌড়ে এগিয়ে থাকবেন তিন সিনিয়র ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং তামিম ইকবাল। এদের মধ্যে মাহমুদউল্লাহ আবার টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হওয়ায়, তার দিকেই পাল্লা ভারী ছিলো।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছিলেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের পর মাশরাফিকে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিতে হবে। সেই সঙ্গে মার্চ মাসেই নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা করা হবে।ঠিক হলোও তাই।

তবে শেষ পর্যন্ত মাহমুদউল্লাহ নয়, তামিমকেই বেছে নিয়েছে বোর্ড। এর আগে বিশ্বকাপের পর শ্রীলঙ্কা সফরের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের অধিনায়কত্ব করেছেন তামিম। সে সিরিজের তিন ম্যাচে মাত্র ২১ রান করেছিলেন তিনি, দলও হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল ০-৩ ব্যবধানে। তামিমের চলতি সিরিজে রানের কথা সবার মনে থাকবে। অনেকের আশঙ্কা অধিনায়কত্বকালীন সময় কি হবে!

বৃষ্টি বিঘ্নিত তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের পাহাড় সমান রানের সামনে মলিন ছিল সফরকারি জিম্বাবুয়ে। রান তাড়া করতে শুরুতেই উইকেট হারায় দলটি। হোয়াইট ওয়াশ হতে হয় সিরিজটিতে।

শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে রেকর্ড ২৯২ রান করেন লিটন দাস ও তামিম ইকবাল। এটি বাংলাদেশের যে কোন উইকেটে সর্বোচ্চ জুটি। এর আগে প্রথম উইকেট জুটিতে সর্বোচ্চ রান ছিল ১৭০। যা ১৯৯৯ সালে মেহরাব হোসেন অপি ও আল শাহরিয়ার রোকন করেছিলেন।

তামিম ইকবাল ১২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। লিটন দাস ১৭৬ রানে আউট হন। তিনি ১৪৩ বলে ১৬টি চার ও ৮টি ছক্কায় এই রান করেন। এটি বাংলাদেশের যে কোনো ব্যাটসম্যানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান।

এর আগে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান ছিল তামিম ইকবালের ১৫৮ রান। বৃষ্টির কারণে ২ ঘণ্টা ৩৮ মিনিট বন্ধ থাকায় বাংলাদেশ ৪৩ ওভার খেলার সুযোগ পায়। নির্ধারিত ৪৩ ওভারে ৩২২ রান করে স্বাগতিকরা। বৃষ্টির কারণে ওভার কমে যাওয়ায় জিম্বাবুয়ের টার্গেট হয় ৩৪২।

বাংলাদেশের দেয়া ৩৪২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দুই উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। মাশরাফি বিন মুর্তজার করা প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে উইকেটের পেছনে লিটন কুমার দাসের হাতে ক্যাচ দেন তিনাসে কামুনহকামউয়ি। মাশরাফির হাত দিয়ে ওইকেট পতন আর বাংলাদেশের বুনো উদযাপন।

মাশরাফির পর জিম্বাবুয়ে শিবিরে দ্বিতীয় আঘাত করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। দলীয় ২৮ রানের মাথায় তার বলে শর্ট মিডউইকেটে মোহাম্মদ মিথুনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ব্রেন্ডন টেলর। ১৫ বলে ৩ চারে ১৪ রান করে যান তিনি। তৃতীয় উইকেটে জিম্বাবুয়েকে টানছিলেন শন উইলিয়ামস ও রেগিস চাকাবা। তারা খুব চেষ্টা করেন।

দলীয় ৭৪ রানের মাথায় এই জুটি ভাঙেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। তিনি সরাসরি বোল্ড করে দেন উইলিয়ামসকে। রেগিস চাকাবাকে বোল্ড করে জিম্বাবুয়ের চতুর্থ উইকেটের পতন ঘটান তাইজুল ইসলাম। আর সাইফের দ্বিতীয় শিকার হয়ে মাঠ ছাড়ে ওয়েসলি মাধভেরে। সকলের অবদান ছিল চোখে পরার মত।

এর পর জিম্বাবুয়ের দলীয় ১৬৪ রানের মাথায় ৬ তম উইকেটের পতন ঘটে। বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুরের বলে ক্যাচ তুলে দেন টিনোটেন্ডা মুতোমবডজি। এরপর ব্যক্তিগত ১৫ রান তুলে বোল্ড হন ডোনাল্ড তিরিপানো। জিম্বাবুয়ের তখন দলীয় রান ২০২, ৮ উইকেটের বিনিময়ে ৩৪ ওভার ২ বলে। এরপর দলটি ২১৮ রানেই গুটিয়ে যায়। পাহাড় সমান টার্গেট পেলে প্রতিটি দলেরই এমন হতে পারে।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পান মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। এছাড়া তাইজুল ইসলাম ২ টি, আফিফ হোসেইন, মোস্তাফিজুর রহমান ও মাশরাফি তুলে নেন ১ টি করে উইকেট। মাশরাফির অধিনায়কত্বে আরেকটি পালক যেন যুক্ত হয়। শেষ সিরিজ হোয়াইট ওয়াশ করে জয়।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840