সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন মেয়র লোকমানের আত্মস্বীকৃত খুনি এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে সক্রিয় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজেই প্রধান অতিথী, সভাপতিত্ব করবেন কে?
বিডি ক্লিনের প্রধান সমন্বয়কের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

বিডি ক্লিনের প্রধান সমন্বয়কের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

ফরিদ উদ্দিন
ফরিদ উদ্দিন

ধারাবাহিক প্রতিবেদন (প্রথম পর্ব)

পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কাজ করে বিডি ক্লিন এমনটাই সকলে জানলেও আসলে এই বিডি ক্লিনের বিরুদ্ধে রয়েছে অসংখ্য প্রতারণার অভিযোগ। গত বছর দৈনিক ৭১ বিডি ক্লিনের প্রধান সমন্বয়কের বিভিন্ন জালিয়াতি ও প্রতারণার বিষয়ে প্রথম বারের মতো নিউজ করে।

টাঙ্গাইল জেলার সমন্বয়ক শাহিন চাকলাদার সহ টাঙ্গাইলে যারা বিডি ক্লিনের সাথে কাজ করতো সকলেই অভিযোগ তুলেন এই সংগঠনটির প্রধান সমন্বয়কের বিরুদ্ধে। প্রধান সমন্বয়ক ফরিদ উদ্দিনের জন্মস্থান টাঙ্গাইলে হলেও টাঙ্গাইলে বিডি ক্লিন কে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়। টাঙ্গাইলে এর সমুদয় কার্যক্রম বন্ধ। অর্থ আত্মসাত ও প্রতারণার বিষয়ে তাকে বলা হলে ফরিদউদ্দিন প্রতিশ্রুতি দেন
তিনি বিষয়টি বসে মিমাংসা করবেন। এটি নিছক ভুল বোঝাবুঝি। তার মিষ্টি কথার প্রলোভনে পরে সারা দেশের অনেক তরুন তরুনীই আজ প্রতারণার শিকার।

ঢাকা দক্ষিনের একটি মেয়ে এফ. এ বাবলি পুনরায় অভিয়োগ এনেছেন ফরিদ উদ্দিনের বিষয়ে। তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক ওয়ালে লিখেন “নোংরা মানুষ আর নোংরা মানসিকতা নিয়ে যদি দেশ পরিচ্ছন্ন করতে নামে সেখানে কি আর দেশ পরিচ্ছন্ন হবে?
লোক দেখানো কাজ, চিটারি বাটপারি করে বেশিদিন টেকা যায়না। আর কিছুতো আছে অন্ধ ভক্তি কারী যারা জ্ঞান দিতে চলে আসে।
তা ভাই কতটুকু জানেন এই ফরিদ উদ্দিন সাহেবের সম্পর্কে? কতটুকু চিনেন? আমাকে জ্ঞান দিতে আসার আগে জেনে নিয়েন ৩ বছর আমি কি পরিমান, শ্রম,সময়,টাকা এই বিডি ক্লিনে দিয়েছি। আর কি কি কাজ করেছি কি পরিমান করেছি। আর ফরিদ সাহেব কি পরিমান ব্যবহার করেছে। আরে এরা তো এমন বেইমান যে কলিজা কেটে দিলেও এরা নিজেদের স্বার্থের জন্য এক সেকেন্ডেই সব ভুলে যায়। অতীত ভুলতে এরা এক সেকেন্ডও নেয়না আবার আসছে চেস্টা নয় চর্চা করাতে। আরে বিডি ক্লিনের মানুষ আগে অতীত মনে রাখার চর্চা করুন। কে আপনার জন্য কি করেছে সেটা মনে রাখার চর্চা করুন। টাকা ও নারীর জন্য আজ এত গুলো মানুষকে ধোকা দিচ্ছেন। ভেবেছেন কি পার পেয়ে যাবেন কখনোই না। সময়মত সকল হিসাব আপনি ও আপনাদের সবাইকেই দিতে হিবে। ইন শাহ আল্লাহ..।
উপরে আল্লাহ আছেন তিনি এই দুই দুনিয়ার সবচেয়ে বড় বিচারক বিচার তিনি করবেনই।

যেহেতু চুপ করে ছিলাম বাট চুপ থাকতে দিলেন না।”

বাবলির এমন পোষ্টের পর বিডি ক্লিনের সমন্বয়ক কিংবা তার কাছের কাউকেই বাবলির পোষ্টে কমেন্টস করতে দেখা যায়নি। কিন্তু অসংখ্য স্বেচ্চাসেবী যারা বিডি ক্লিনে বিশ্বাস করে প্রতারিত হযেছেন তারা কমেন্টস করে প্রতিবাদ করেছেন। তাদের মনের যাবতীয় আক্ষেপ ঝেড়েছেন।

Kazi Mubashwir Noor Arnob নামের একজন লিখেন “টাকা দিলাম আমরা, শ্রম দিলাম আমরা,কষ্ট করলাম আমরা,অব্যাহতি চাইলাম আমরা।
আর এখন বাটপার আমাগোরেই কয়।অব্যাহতি আমাগোরেই দেই।
প্রত্যেক টা হিসাব নেবো, জ্বি ভাই রাজনীতি করা ভালো কিন্তু অরাজনৈতিক সংগঠন বলে রাজনৈতিক ভাবে চালানো ঠিক না।নারী আর টাকার জন্য এমন নিচে নামবেন ভাবী নাই।আপনাকে আইডল বলতেও লজ্জা লাগে।
মাফ করবেন তবে আপনাকে পেলে সত্যি জুতা দিয়া মারতাম।কারন আপনি আমার সব কিছু শেষ করেছেন “

MH Rubel নামের একজন লিখেন “লুইচ্ছা ফরিদের বেপারে নারী নির্যাতনের মামলা করা হবে।”

বাবলির একজন সহযোদ্ধা স্বেচ্ছাসেবী লিখেন “আসলে আপু চুপ ছিলাম বলে ওদের ভাল লাগছিলনা।
“শেয়াল পন্ডিতেরা তাদের কাটা লেজের যন্ত্রণা ভুলে থাকতে অপর আরেকজনের লেজও কেটে দিতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক” ঠিক এই কারণেই আমাদের পিছন লাগছে… ”

Ashraful Alam নামের এক ব্যক্তি লিখেন “ তার মানে প্রত্যেকের সাথে কমবেশি কাহিনী আছে। আগে ভেবেছিলাম ২-১ জনের সাথে এখন তো দেখছি শত শত লোকের সাথে বেঈমানি করেছে।”

Mdph Shishir নামের একজন লিখেন “ F.a. Babli আপু, এদেরকে গায়ের মাংস কেটে খাওয়ালেও বলবে লবণ কম হয়েছে , এরা এ টাইপের মানুষ, আমিও আমার নিজের সেলারি পেয়ে বিডি ক্লিনের পিছনে খরচ করেছি, তারপরেও আমি তাদের কাছে খারাপ হয়েছি, সহমত ভাই। হা ভাই, যে ভাই প্রকাশ করতে পারিনাইযে তাই, এরা এমন একটা পাবিলিক। এদেরকে আপনে যতদিন খাওয়াতে পারবেন সময় দিবেন, নিজের কাজ থুয়ে এদের কাজ করবেন তখন আপনে ভাল। আর না হয় আপনে খারাপ, এমন মানুষের কোন লজ্জা সরম নাই, অন্যায় করে অন্যজনের উপরে এরা দোষ চাপাই।”

Imran Sheikh নামের একজন বিডি ক্লিনের সদস্য লিখেন “ ওরা মানুষ না। ওরা বিডি ক্লিন নামে মানুষকে ঠকায়। ফরিদ উদ্দিন ওতো বড় বাটপার।”

টাঙ্গাইলে বিডি ক্লিনের উদ্ভাবক এবং প্রধান সমন্বয়কের বাড়ি হলেও টাঙ্গাইলেই প্রথম অবাঞ্চিত ঘোষিত হয় বিডি ক্লিন। পর্যায়ক্রমিকভাবে বিভিন্ন জায়গা থেকেই অভিযোগ উঠে আসছে। এমতাবস্থায় দেশের সচেতন নাগরিকদের পরামর্শ এই সংগঠনটির সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হোক। বিডি ক্লিনের প্রধান সমন্বয়ক ফরিদ উদ্দিনকে আইনের আওতায় আনা হোক।

এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে দৈনিক ৭১ ফরিদ উদ্দিনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে মুঠোফোনে ফরিদ উদ্দিন সমুদয় অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে এড়িয়ে যান। তিনি বলেন “বিডি ক্লিন থেকে বের করে দেয়ায় তার বিরুদ্ধে সবাই বিষোদগার করছেন।”

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840