সংবাদ শিরোনাম:
দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকার সেরা অফিসার ইনচার্জ ফারুক হোসেন ‘ভোট জালিয়াতি’ তদন্তের নির্দেশ চট্টগ্রামে গলায় ছুরি ধরে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, ধর্ষকদের বাঁচাতে কাউন্সিলরপ্রার্থী বেলালের দৌড়ঝাঁপ নারী নির্যাতন মামলায় বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের বিবাহিত সভাপতি মাহবুব হোসেন কারাগারে দুই নবজাতকের লাশ নিয়ে হাইকোর্টে বাবা কনস্টেবলকে মারধর, শ্রমিকলীগ নেতার স্ত্রী কারাগারে অবক্ষয় থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে চলচ্চিত্রের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে- তথ্যমন্ত্রী পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2020 কর কমিশনারের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২০ ৯ দিনে করোনা জয়ী তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ
বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড

Ben stoaks

বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে জমজমাট ফাইনাল বলাই যায় ২০১৯ সালের এই নাটকীয় ফাইনালটাকে। চলতি বিশ্বকাপে থমবারের মতো ম্যাচ টাই।কোন বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথমবারের মতো ম্যাচ টাই। কোন বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথমবার ম্যাচ গড়িয়েছে সুপার ওভারে। ৫০ ওভারের ম্যাচ টাই না হয় মানা গেল, সুপার ওভার তাও হলো টাই। অবশেষে বাউন্ডারির হিসেবে চ্যাম্পিয়ন ঘোষিত হলো।

ইতিহাসের সবচেয়ে নাটকীয় এই ফাইনালে সুপার ওভার ও টাই হওয়ায় মূলত বাউন্ডারি বেশি থাকায় চ্যাম্পিয়ান হলো ইংল্যান্ড।

টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ড। গতো চার বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করা দল চ্যাম্পিয়ন হোন হয়তো সেই ভাবনা থেকেই কিউই অধিনায়ক এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। মারমুখী আর ধুন্ধুমার চার ছক্কার ফাইনাল না হয়ে যেন আত্ম রক্ষার ফাইনালে রুপ নেয় ম্যাচটি। নিউজিল্যান্ড ৮ ওইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করেন ২৪১ রান। যা ওয়ানডে ম্যাচের জন্য অস্বাভাবিক রান নয়।

সকলেই ভেবেছিল এই রানটা খুব সহজেই তাড়া করে জিতে যাবে ইংল্যান্ড কিন্তু নিউজিল্যান্ড এর বোলিং তোপে তা আর সম্ভব হয়নি। শ্বাসরুদ্ধকর ভাবে ৪৯ তম ওভারে গিয়ে দুইটি ‍ওইকেট হারিয়ে বসে আয়োজকরা। ৫০ তম ওভারে স্টোকস এর ভাগ্য ও অতিদানবীয় ব্যাটিং এ ১৫ স্কোর করে ফেলে আর ১৬ তম রান সংগ্রহ করতে গিয়ে শেষ ব্যাটসম্যান রান আউট।

কে জানতো ৫০ তম ওভারের ওই বলটি ওভার থ্রো ব্যাটে লেগে চার হয়ে যাবে। বেন স্টোকস নিজেও তো রীতিমতো ভয় পেয়ে দুই হাত উপরে তোলে জানান তিনি দায়ী নন, ইচ্ছে করে এটা করেন নি। মূলত সেকেণ্ড রান নেয়ার জন্য তিনি ড্রাইভ দিয়েছিলেন আর তার ব্যাটের কানায় লাগে বলটি চারে পরিণত হয় ফলে দৌড়ে দুই রান আর ওভার থ্রো থেকে বাই চার রান যোগ হয়ে রান হয়ে যায় ৬।

ইংল্যান্ডের ভাগ্য সুপ্রসন্নই ছিল তাই শেষ মুহুর্তে শেষ ব্যাটসম্যান রান আউট হলেও স্কোরস তখন লেবেল।

এরপর আসে সুপার ওভারের মতো নাটকের। যেখানে ৩ জন ব্যাটসম্যান ও একজন বোলার থাকবেন অর্থাৎ একটি দল ২ ওইকেট নিয়ে খেলবেন তবে ফিল্ডিং এ থাকবে পুরো টিম। আবার এখানে কোন পাওয়ার প্লে আইন নেই। যে কোন ফিল্ডার যে কোন জায়গায় ফিল্ডিং করতে পারবে।

রীতি অনুযায়ী পরে ব্যাট করা দল এবার আগে ব্যাট করবে। এখানেই ইংল্যান্ডের দায়িত্বশীল ব্যাটসম্যান বেন স্টোকস আবার-ও দায়িত্ব নিলেন এবং সংগ্রহ করে দিলেন ২ বাউন্ডারিতে ১৫ কিন্তু মার্টিন গাপটিল ১৫ রান সংগ্রহ করলেও তার একটি ওভার বাউন্ডারি ছিল। বাউন্ডারির হিসেবে আটকে গেলেন কিইউই রা। ম্যাচতো পুরোটাই টাই কিন্তু কাপ তো একজনকেই দিতে হবে। তাই প্রথম বারের মতো আর বিশ্বকাপ জেতা ৬ষ্ঠ দেশ হিসেবে কাপটা উঁচিয়েই ধরলো ইংল্যান্ড।

সুপার ওভারে ইংল্যান্ড আগে ব্যাট করে এবং মাঠে নামেন বেন স্টোকস ও জস বাটলার আর নিউজিল্যান্ডের হয়ে বল হাতে নেন ট্রেন্ট বোল্ট।

প্রথমে ব্যাট করে ইংল্যান্ড প্রথম বলে ৩ রান নেয়ার পর দুটি চারসহ ১৫ রান তোলে।

জবাবে ইংল্যান্ডের হয়ে বল হাতে নেন জোফরা আর্চার।নিউজিল্যান্ডের হয়ে ব্যাট হাতে নেন অফ ফর্মে থাকা মার্টিন গাপটিল ও জিমি নিশাম। ওয়াইড দিয়ে শুরু করেন আর্চার। আর ওভারের দ্বিতীয় বলে নিশাম মিড উইকেটের ওপর দিয়ে উড়িয়ে ছক্কা হাঁকান, তৃতীয় বলে আবারো দুই। ৩ বলে যখন দরকার ৫ রান, আবারও ২ রান নিয়ে দরকার হয় ২ বলে ৩ এরপর ১ বলে দরকার হয় ২ রান, পুরো টুর্নামেন্ট ব্যাট হাতে ব্যর্থ থাকা গাপটিল আসেন স্ট্রাইকে।

শেষ বলে আসে ১ রান অর্থাৎ সুপার ওভারেও ম্যাচ টাই কিন্তু তাতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে ইংল্যান্ড।

কারণ বাউন্ডারি ২-১ হাকানোর কারণে ততক্ষণে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয় নিশ্চিত হয়ে গেছে তাদের।

ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় বেন স্টোকস। আর কেন ওইলিয়ামস সিরিজ সেরা।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840