রাজবাড়ীতে আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

রাজবাড়ীতে আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

মো. আব্দুল লতিফ (৫৭)।
মো. আব্দুল লতিফ (৫৭)।

রাজবাড়ীর বাণিবহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ওই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো.  আব্দুল লতিফকে (৫৭) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

নিহত লতিফ একই ইউনিয়নের মহিষবাতান গ্রামের মৃত আসির উদ্দিনের ছেলে।

আব্দুল লতিফের স্ত্রী শেফালী বেগম জানিয়েছেন, গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) রাত ১২টার দিকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার বানিবহ বাজার থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন লতিফ। বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছতেই দুর্বৃত্তরা পূর্বপরিকল্পিত তাঁর গতিরোধ করে। এর পর তাঁর বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে চারটি গুলি করে।  আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেও অবস্থার অবনতি  হলে তাঁকে নিয়ে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়া হয়। তবে মানিকগঞ্জ এলাকায় পৌঁছালে মারা যান লতিফ।

আজ শুক্রবার (১২ নভেম্বর) সকালে মরদেহ রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

আব্দুল লতিফের স্ত্রীর দাবি, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পূর্বপরিকল্পিতভাবে চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা তাঁর স্বামীকে হত্যা করেছে। তিনি এ হত্যার সুষ্ঠু  বিচার এবং হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এম এম শাকিলুজ্জামান বলেন, ‘নিহতের বাড়ির এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এরইমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।’ 

রাজবাড়ীর বাণিবহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ওই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো.  আব্দুল লতিফকে (৫৭) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

নিহত লতিফ একই ইউনিয়নের মহিষবাতান গ্রামের মৃত আসির উদ্দিনের ছেলে।

আব্দুল লতিফের স্ত্রী শেফালী বেগম জানিয়েছেন, গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) রাত ১২টার দিকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার বানিবহ বাজার থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন লতিফ। বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছতেই দুর্বৃত্তরা পূর্বপরিকল্পিত তাঁর গতিরোধ করে। এর পর তাঁর বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে চারটি গুলি করে।  আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেও অবস্থার অবনতি  হলে তাঁকে নিয়ে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়া হয়। তবে মানিকগঞ্জ এলাকায় পৌঁছালে মারা যান লতিফ।

আজ শুক্রবার (১২ নভেম্বর) সকালে মরদেহ রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

আব্দুল লতিফের স্ত্রীর দাবি, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পূর্বপরিকল্পিতভাবে চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা তাঁর স্বামীকে হত্যা করেছে। তিনি এ হত্যার সুষ্ঠু  বিচার এবং হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এম এম শাকিলুজ্জামান বলেন, ‘নিহতের বাড়ির এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এরইমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।’ 

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840