সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন মেয়র লোকমানের আত্মস্বীকৃত খুনি এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে সক্রিয় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজেই প্রধান অতিথী, সভাপতিত্ব করবেন কে?
রাজাকার তালিকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নাম

রাজাকার তালিকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নাম

রাজাকার তালিকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নাম
রাজাকার তালিকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নাম

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সদ্য প্রকাশিত রাজাকারের তালিকা বাতিলের দাবি করেছেন বাসদের সদস্য সচিব ডা. মনীষা চক্রবর্তী। তিনি বলেছেন, তালিকায় আমার বাবা অ্যাডভোকেট তপন কুমার চক্রবর্তী ও ঠাকুর মা উষা রানী চক্রবর্তীর নাম অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

তালিকায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের নাম জড়ানোর সঙ্গে যারা জড়িত তাদের শাস্তি দাবি করেছেন মনীষা। একইসঙ্গে এই তালিকা বাতিলেরও দাবি জানান। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব বিষয় তুলে ধরেন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সাবেক মেয়র প্রার্থী বাসদ নেত্রী ডা. মনীষা।

মনীষা বলেন, ‘আমার বাবা অ্যাডভোকেট তপন কুমার চক্রবর্তী একজন গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধা যার ক্রমিক নং ১১২ পৃষ্ঠা ৪১১৩। তিনি নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ও পেয়ে থাকেন। কিন্তু রাজাকারের তালিকায় তিনি ৬৩ নম্বর রাজাকার! আমার ঠাকুরদা অ্যাডভোকেট সুধির কুমার চক্রবর্তীকে পাকিস্তানি মিলিটারি বাহিনী বাসা থেকে ধরে নিয়ে হত্যা করে। তিনিও ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃত। তাঁর সহধর্মিণী আমার ঠাকুমা উষা রানী চক্রবর্তীকে রাজাকারের তালিকায় ৪৫ নাম্বারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

বরিশালের মেয়ে মনীষার প্রাথমিক শিক্ষা শুরু সেখানকার মল্লিকা কিন্ডার গার্টেন স্কুলে। এরপর বরিশাল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে (সদর গার্লস) থেকে অষ্টম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি এবং এসএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হন অমৃত লাল দে কলেজে।

সেখান থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে এ প্লাস পেয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। মেডিকেলের পড়াশুনা শেষ করে ৩৪তম বিসিএস-এ স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারি সার্জন পদে নিয়োগ পান।

প্রগতিশীল পরিবারে জন্ম নেয়া মনীষা চক্রবর্তীর পিতামহ আইনজীবী সুধীর কুমার চক্রবর্তীকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নেয়ায় নৃশংসভাবে হত্যা করে রাজাকার বাহিনী। তার বাবা আইনজীবী অ্যাডভোকেট তপন কুমার চক্রবর্তী মুক্তিযুদ্ধে ৯ নং সেক্টরে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

অসংখ্য প্রগতিশীল মানুষদের সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠা ডা. মনীষার ছোটবেলা অতিবাহিত হয় পিসেমশায় (ফুপা) বিশিষ্ট প্রকৃতিবিজ্ঞানী দ্বিজেন শর্মার সংস্পর্শে।

মনিষা চক্রবর্তী গত বছর নির্বাচনে সাড়া জাগালেও শেষ পর্যন্ত হেরে যেতে হয় মেয়র পদে। তিনি তার পর থেকেই নিরব ছিলেন। এবার তার পরিবারের দুজন ব্যক্তির নাম রাজাকারের তালিকায় আসলো যারা কি না সরকারের ভাতাভুক্ত চিহ্নিত মুক্তিযোদ্ধা। তিনি তাই জোর প্রতিবাদ করেছেন।

সারাদেশ জুড়েই নিন্দার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। রাজাকারের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নাম এটি স্বাধীনতা যুদ্ধকেও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। মুক্তিযোদ্ধারা এমন একটি তালিকার কারনে হেয় হয়েছেন। রাষ্টক্ষমতা ব্যবহার করে কোন অপশক্তি এমন কাজ করতে পারে তাদের বিচারের আওতায় আনা উচিত বলছেন দেশের আপামর জনগন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840