সংবাদ শিরোনাম:
দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকার সেরা অফিসার ইনচার্জ ফারুক হোসেন ‘ভোট জালিয়াতি’ তদন্তের নির্দেশ চট্টগ্রামে গলায় ছুরি ধরে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, ধর্ষকদের বাঁচাতে কাউন্সিলরপ্রার্থী বেলালের দৌড়ঝাঁপ নারী নির্যাতন মামলায় বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের বিবাহিত সভাপতি মাহবুব হোসেন কারাগারে দুই নবজাতকের লাশ নিয়ে হাইকোর্টে বাবা কনস্টেবলকে মারধর, শ্রমিকলীগ নেতার স্ত্রী কারাগারে অবক্ষয় থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে চলচ্চিত্রের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে- তথ্যমন্ত্রী পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2020 কর কমিশনারের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২০ ৯ দিনে করোনা জয়ী তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ
শহিদ আবরার দিবস ঘোষণা করা হোক: মওদুদ আহমদ

শহিদ আবরার দিবস ঘোষণা করা হোক: মওদুদ আহমদ

শহিদ আবরার দিবস: মওদুদ আহমেদ
শহিদ আবরার দিবস: মওদুদ আহমেদ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ গতকাল বলেন, ‘তাদের তাণ্ডবলীলা দেখলে মনে হয়, দেশে সত্যিকার অর্থে কোনও সরকার নেই। আবরার হত্যার দিনটিকে শহিদ আবরার দিবস ঘোষণা করা হোক।”

তার এমন বক্তব্যর কারনে তার মুখে এমন বক্তব্য হাস্যকর বলে আখ্যায়িত করেছেন বিশ্লেষকগণ। অনেকে মন্তব্য করেছেন তাহলে শহিদ সনি দিবস ঘোষণা হয়নি কেন? শহিদ দ্বিপ দিবস ঘোষণা হয়নি কেন?

২০০২ সলে বিএনপি যখন ক্ষমতার মসনদে আসীন তখন ছাত্রদলের হাতে খুন হন বুয়েট ছাত্রী সনি। যে খুনের মাধ্যমে বুয়েটে শিক্ষার্থী খুনের যাত্রা শুরু।

এরপর ২০১৩ সালে শিবির কর্তৃক মেধাবী শিক্ষার্থী দ্বিপ হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। কলঙ্কের দরজায় সর্বশেষ পেরেক ঠুকে বর্তমান সরকারের ছাত্রলীগ নের্তৃবৃন্দ। তারাও ছাত্রদল ও শিবিরের দেখানো পথে চলে। তারা নৃশংস বর্বরতার পরিচয় দেয়।

নৃশংস সনি হত্যাকান্ডে মওদুদ আহমেদ তখন মন্ত্রী ছিলেন। সনি হত্যাকান্ডের কোন আসামিকেই গ্রেফতার করেননি কিন্তু বর্তমান সরকার আবরার ফাহাদ হত্যার সাথে জড়িত ও সন্দেহভাজন হিসেবে এ পর্যন্ত ১৯ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।

সেই একই ক্যাম্পাসে অন্য দল কর্তৃক হত্যাকান্ড সংঘটিত হওয়ায় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের শহিদ আবরার দিবস ঘোষণার দাবীকে অনেকেই হাস্যকর বলেছেন।

বুয়েটে সন্তানদের পড়তে দিয়ে বাবা মা নিশ্চিন্ত। চান্স পেয়েছে তো ভবিষ্যৎ নিশ্চিত। টুকটাক ঝামেলা বাদে সব ‘ঠিক’ আছে- এমনটাই জানে সবার পরিবার কিন্তু দেশের মেধাবীদের গড়ে তোলার শিক্ষালয় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) যে শিক্ষার্থীরা ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয় কোন পরিবারের এমন ধারণাই ছিল না। যা এবার সবার সামনে উঠে এসেছে ভিডিও ফুটেজে।

বুয়েটে হলভিত্তিক নির্যাতন, ভিন্নমত প্রকাশের জেরে অত্যাচারের খবর এবং র‌্যাগিং এর মত বর্বরোচিত কান্ড এক এক করে সবার সামনে আসছে।

রোববার দিবাগত রাতে বুয়েট ছাত্রলীগের কিছু নেতা কর্মী বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) আবরার ফাহাদকে নির্মম ভাবে পিটিয়ে হত্যা করে।

আবরার ভারত-বাংলাদেশ চুক্তি নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করায় তাকে শিবির আখ্যা দিয়ে হত্যা করেছে তারই সহপাঠী, বন্ধু, বড় ভাই।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এর ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার জন্য আগামী ১৪ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা তাদের পাঁচটি দাবি বাস্তবায়নের আগে এই পরীক্ষা না নেওয়ার জন্য আন্দোলন করছেন। তাদের ১০ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত রাখারও ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার বিকেল পৌনে তিনটা থেকে রাত এগারটা পর্যন্ত বুয়েটের মিলনায়তনে উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলামের সঙ্গে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের জরুরী বৈঠক হয়। উপাচার্য শিক্ষার্থীদের ১০ দফা দাবির বিষয়ে সহমত প্রকাশ করে আশ্বস্ত করলেও ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নিয়ে দেখা দেয় দ্বিমত। কর্তৃপক্ষ উক্ত তারিখেই পরীক্ষা নিতে চান ফলে শিক্ষাথীদের তীব্র তোপের মুখে পড়েন।

রাত পৌনে ১১টার দিকে বুয়েট শহীদ মিনারে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষার্থীরা নিজেদের অবস্থান জানান তারা বলেন কোন অবস্থাতেই পরীক্ষা ১৪ তারিখে নেয়া যাবে না। আগে তাদের দাবী বাস্তবায়ন করতে হবে।


মামলার এজাহারভুক্ত ১৯ আসামীকে গ্রেফকার করা হয়েছে। আসামিরা প্রত্যকেই বুয়েটের শিক্ষার্থী ও বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

আসামীরা হলেন হলেন মেহেদী হাসান, সিই বিভাগ (কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ১৩তম ব্যাচ), মাজেদুল ইসলাম (এমএমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন (মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৫তম ব্যাচ), , মোজাহিদুল (ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), হোসেন মোহাম্মদ তোহা (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ) , জিসান (ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), আকাশ (সিই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), শামীম বিল্লাহ (মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মুহতাসিম ফুয়াদ (১৪তম ব্যাচ, সিই বিভাগ), অনীক সরকার (১৫তম ব্যাচ), মেহেদী হাসান রবিন (কেমিক্যাল বিভাগ, ১৫তম ব্যাচ), ইফতি মোশারফ হোসেন (বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৬তম ব্যাচ), মনিরুজ্জামান মনির (পানিসম্পদ বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), তানভীর আহম্মেদ (এমই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), শাদাত (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), তানীম (সিই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মোর্শেদ (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মোয়াজ, মনতাসির আল জেমি (এমআই বিভাগ),

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840