সংবাদ শিরোনাম:
বিবস্ত্র করে নির্যাতন: চার বিশিষ্টজনের প্রতিক্রিয়া মিন্নি সর্বশেষ সংবাদ টাঙ্গাইলে একইসাথে দুই করোনা যোদ্ধার জন্মদিন উদযাপন এমপি মমতা হেনা লাভলীর টাঙ্গাইলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি এমপি হিরোর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন মানিক শিকদারের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে জাতীয় শোক দিবস পালন টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র জামিলুর রহমানে মিরনের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলে শোক দিবস পালন প্রবাসে থেকেও থেমে নেই টাঙ্গাইলের মুজাহিদুল ইসলাম শিপন
শাহিন স্কুলের কর্তৃপক্ষ তালা ঝুলিয়ে পালালেন

শাহিন স্কুলের কর্তৃপক্ষ তালা ঝুলিয়ে পালালেন

শাহিন স্কুলের কর্তৃপক্ষ তালা ঝুলিয়ে পালালেন
শাহিন স্কুলের কর্তৃপক্ষ তালা ঝুলিয়ে পালালেন

বাইরের মেইন গেটে তালা দিয়ে ভেতরে পরীক্ষা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে দেশের অনেক প্রাইভেট স্কুল এবং কোচিং সেন্টারে। গাজীপুরের তিন স্কুলের কর্তৃপক্ষকে জেল-জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে বাইরে তালা দিয়ে ভেতরে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগে তিন স্কুলকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও এক স্কুল পরিচালককে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গাজীপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাবেয়া পারভেজ জানান, সরকারি নির্দেশ অমান্য করে স্কুলে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ীতে অক্সফোর্ড মডেল স্কুল, অরবিটাল এডু কেয়ার স্কুল ও জরুন ন্যাশনাল স্কুলে গতকাল শনিবার সকালে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ন্যাশনাল স্কুলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহীদুল ইসলামকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ওই স্কুলের শিক্ষিকা দুলালী বেগমকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া একই দিন অরবিটাল এডু কেয়ার স্কুলের প্রধান শিক্ষককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অক্সফোর্ড মডেল স্কুলের শিক্ষক লুত্ফর রহমানকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে যায় কোনাবাড়ী টাঙ্গাইল শাহীন স্কুল কর্তৃপক্ষ। মূলত তিনটি প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমান ম্যাজিষ্ট্রেট যখন গিয়েছেন সেই খবরটি ছড়িয়ে পরলে টাঙ্গাইলের শাহিন শিক্ষা পরিবারের শাহিন স্কুল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বুঝতে পেরে তাদের ক্যাম্পাসে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে যান।

যেখানে সারা বিশ্ব করোনা আতঙ্কে আতঙ্কিত দেশের সব ধরণের বোর্ড পরীক্ষাও রাখা হয়েছে স্থগিত সেখানে প্রাইভেট স্কুল গুলো গোপনে পরীক্ষা নেয়ার জন্য মেতে উঠেছেন। এর পেছনে মূল কারন বেতন আদায়। ইতিমধ্যে জানা গেছে দেশের বেশীরভাগ প্রাইভেট স্কুল-কোচিং সেন্টার অনলাইন ক্লাসের নাম করে নিম্ন মানের ক্লাস এবং অনলাইন পরীক্ষার নামে হাস্যকর পরীক্ষার মধ্যেই শুধু তারা আটকে নেই। তারা শিক্ষার্থীদের সরাসরি গোপনে প্রতিষ্ঠানে এনে পরীক্ষা নেয়ার মাধ্যমে করোনার বিস্তারে ভূমিকা রাখছে। স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পরছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকগণ। ইতিমধ্যে তারা বেতন আদায় কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। কেউ বেতন দিতে অপারগ হলে তাকে টিসি দেয়ার মতো নানা রকম ভয় ভীতী প্রদর্শন করা হচ্ছে।

এছাড়াও স্কুল-কোচিং এর ভেতরেই তাদের প্রাইভেট পড়ানোর নাম করে গণ ক্লাস নেয়া হচ্ছে। কোচিং বা স্কুল গুলোর শ্রেণি পরিচালক বা সহকারি শিক্ষকগণ ব্যাচে করে বাচ্চাদের পড়ান, অপরদিকে কর্তৃপক্ষকে প্রাপ্ত বেতনের একটি নির্দিষ্ট হারে প্রদান করেন। সচেতন অভিভাবকরা না চাইলেও এসব ক্লাসে দিতে বাধ্য কারন স্কুল থেকে ছাড়িয়ে দেবার সম্ভাবনা ছাড়াও রয়েছে পরবর্তী পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেবার আতঙ্ক।

সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্ধ একদিকে যেমন করোনা আতঙ্কে আতঙ্কিত ঠিক তেমনি অপরদিকে এই রকম স্কুল-কোচিং কর্তৃপক্ষের আতঙ্কেও আতঙ্কিত।

খবরটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
নির্মান ও ডিজাইন: সুশান্ত কুমার মোবাইল: 01748962840